লখনউ : কমান্ডোর গুলিতে নিহত সন্দেহভাজন জঙ্গি সইফউল্লাহের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করলেন তাঁর বাবা কানপুরনিবাসী সরতাজ।

তাঁর ছেলে যে সন্ত্রাসবাদী কাজে লিপ্ত হয়েছে, এই ধারণাই তাঁর ছিল না বলে এএনআইকে জানিয়েছেন সরতাজ। বলেছেন, “এক জন বিশ্বাসঘাতক আমাদের সন্তান হতে পারে না। আমরা ভারতীয়, আমরা এখানে জন্মেছি, আমাদের পূর্বপুরুষরা এখানে জন্মেছেন। যে জাতীয়তা-বিরোধী কাজকর্ম করে সে কখনওই আমাদের ছেলে হতে পারে না…  আমরা ওর দেহ নেব না।”

জানা গিয়েছে, আইসিস-এর যে নয় সদস্যের নতুন সেল তৈরি হয়েছে, সইফ ছিল তার অন্যতম সদস্য। বুধবার ভোরে লখনউয়ের শহরতলি ঠাকুরগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে সন্ত্রাস-প্রতিরোধী কমান্ডোর গুলিতে সে নিহত হয়। তাকে অক্ষত ধরার জন্য কমান্ডোরা ১২ ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চালায়। চিলি গ্রেনেডের সাহায্যে ধোঁয়া তৈরি করে তাকে বাড়ির বাইরে বার করে আনার চেষ্টা করা হয়। সে যাতে আত্মসমর্পণ করে তার জন্য তার ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলানো হয়। সে ভাইকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয় সে ‘শহিদ’ হতে চায়। সূত্রের খবর, সৌদি আরবে কর্মরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে কয়েক মাস আগে এই বাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সইফের বয়স ২০-এর ঘরে। তার দু’ জন সম্পর্কিত ভাইকে মঙ্গলবার কানপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত সইফউল্লাহের কাছ থেকে উদ্ধার হয় আইএসআইএস গোষ্ঠীর পতাকা, একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র। এদের গোষ্ঠীই ভোপাল-উজ্জইন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন চলছে। তার মধ্যে এই ঘটনা স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তার উদ্রেক করেছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন