suvendu adhikari 2
ঝাড়গ্রামে শুভেন্দু অধিকারী

সমীর মাহাত, ঝাড়গ্রাম: গত ২০ সেপ্টেম্বর ইসলামপুরের দাঁড়িভিট হাইস্কুলে বিক্ষোভরত ছাত্রদের উপর গুলি চলে। মৃত্যু হয় ২ জনের। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বাংলা বন্‌ধের ডাক দেয় বিজেপি। সে দিনের বন্‌ধেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চলে। শুক্রবার রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিলেন, “পাশের রাজ্য বিহার থেকে লোক ভাড়া করে এনে পুলিশের উপর পাথর ছুড়েছে, সরকারি বাসে আগুন লাগিয়েছে, ভাঙচুর করেছে, সাধারণ মানুষের উপরও গুলি চালিয়েছে। যে ৫ জন ধরা পড়েছে তারা বিহারের”।

এ দিন ঝাড়গ্রামের দুবরাতে নিহত তৃণমূল নেতা চন্দন ষড়ঙ্গীর স্মরণসভায় যোগ দিতে এসে এ কথা বলেন পরিবহণমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, “আমি নেতাই গণহত্যা দেখেছি ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিহতদের লাশ দাহ করেছি। ইসলামপুরের ঘটনায় ডাকা বন্‌ধে আমি ৪ হাজার গাড়ির চালককে হেলমেট পরতে দিয়েছিলাম। আমি জানি ওই লুম্পেনরা গণ্ডগোল বাঁধাবে। আমি দেখেছি অনুজ পাণ্ডে, অনিল মাহাতর মতো মস্তানদের। এর আগে এখানে কমরেড প্রশান্ত দাস যার বাইরে গেরুয়া, ভেতরে লালা তাঁর রাঙা চোখ। আমি ভয় পাইনি। আমি ভয় পাওয়ার লোক নই। লরির উপরে দাঁড়িয়ে আমি সভা করে গেছি। ২০১০ সালে হার্মাদ, মাওবাদীরা ২৮৫ জনকে খুন করেছে। ২০১১ সালেও তারা খুন করেছে। বাবু বোস , লালমোহন মাহাত, রবীন্দ্রনাথ মিশ্রকে খুন করেছে এরা। তখন বলেছিলাম আর খুন হতে দেব না”।

তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়ন থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে খুনের রাজনীতি করছেন। তবে এ সব করে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করা যাবে না, তা তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই দাবি করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন