Rape
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: দলের ফেসবুক পেজে ধর্ষিতার ছবি-সহ নাম-ঠিকানা পোস্ট করে ফের বিতর্কে জড়াল পূর্ব বর্ধমান জেলা সিপিএম। গত সপ্তাহে জেলার গলসির হিট্টা গ্রামের সেচখাল থেকে দেহ উদ্ধার হয় এক দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর। তাঁকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশি তদন্ত চলছে। এরই মাঝে নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন সিপিএম নেতৃত্ব। তার পর নির্যাতিতার ছবি-সহ নাম-ঠিকানা দলের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। এমন নিয়মবিরুদ্ধ কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশও।

জানা গিয়েছে, দেহের হদিশ পাওয়ার আগে তিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন ওই ছাত্রী। ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ ওঠায় নির্যাতিতার বাড়িতে যান  সিপিএমের মহিলা সংগঠন সারা ভারত মহিলা সমিতির জেলা নেত্রী মণিমালা দাস, পুষ্প দে, কাজি জৈবুন্নেসা, ছাত্র নেতা মনসিজ হোসেনরা প্রমুখ । তাঁরা নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে ফিরে এসে সেই ছবি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। যেখানে ছিল নির্যাতিতার ছবিও। এই ঘটনার পরই বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) তথা জেলা সাইবার সেলের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রিয়ব্রত রায় জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে আইনগত দিকগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে নির্যাতিতার নাম বা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা অনৈতিক কাজের মধ্যেই পড়ে।

নাগেরবাজার বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তে সিআইডি

পরে অবশ্য ওই পোস্ট থেকে ছবি তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু নাম আগের মতোই থেকে যায়। জেলা সিপিএমের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ধরনের কাজ যে নির্যাতিতার পরিবারকে পুনরায় নির্যাতনের নামান্তরমাত্র, তা মানছেন অনেকেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন