cyclone
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: শেষ মুহূর্তে কি সবকিছু ওলটপালট করে দেবে আবহাওয়া? পুজোর আগে কি রাজ্যে ধেয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড়? এখনই পরিষ্কার করে কিছু বোঝা যাচ্ছে না ঠিকই, কিন্তু ইতিমধ্যে চোখরাঙাতে শুরু করে দিয়েছে বঙ্গোপসাগর।

আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে মহালয়ার দিন মধ্য বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। সেটি যে শক্তিবৃদ্ধি করবে সে কথাও জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কিন্তু সে কতটা শক্তি বাড়াবে সে ব্যাপারে আবহাওয়া দফতর এখনও কিছু না জানালেও, আশঙ্কার মেঘ দেখছে বেশ কিছু বিদেশি আবহাওয়া সংস্থা এবং বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা।

নিম্নচাপটির ঘূর্ণিঝড়ে শক্তিবৃদ্ধি করার একটি সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা। তবে পুরোটাই প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের ওপরে ভিত্তিতে। কেন এরকম মনে হচ্ছে তাঁর?

রবীন্দ্রবাবু বলেন, “এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরের জলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেশি। এই পরিস্থিতিতে যে কোনো নিম্নচাপই শক্তি বৃদ্ধি করে।” অন্যদিকে উত্তর ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে নিম্নচাপটি বেশিদিন সাগরে থাকবে বলেও মনে হচ্ছে তাঁর। একটি নিম্নচাপ যতো বেশি সময় সাগরে থাকবে ততো বেশি তার শক্তিবৃদ্ধির সম্ভাবনা বলে জানান রবীন্দ্রবাবু।

আরও পড়ুন বিলম্ব-বিতর্কের পর পাঁচ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা কমিশনের

শেষ মুহূর্তে এটা যদি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত নাও হয়, তা হলেও অতি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে স্থলভাগে প্রবেশ করার সম্ভাবনা তার প্রবল। কিন্তু কোথা দিয়ে স্থলভাগে ঢুকবে সেই নিম্নচাপ? এই বিষয়ে আবহাওয়া দফতর বা ওয়েদার আল্টিমা, কেউই পূর্বাভাস দিতে পারছেন না। প্রাথমিক ভাবে নিম্নচাপটি ওড়িশার দিকে এগোলেও শেষ মুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ উপকূলের দিকেও ঘুরে যেতে পারে।

তবে নিম্নচাপটি কোথায় প্রথম আঘাত করবে সে ব্যাপারে জানার জন্য অন্তত মহালয়ার দিন পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতেই হবে। তবে একটা ব্যাপারে নিশ্চিত, তা হল সামনের সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে চতুর্থী-পঞ্চমী পর্যন্ত কমবেশি বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। নিম্নচাপটির গতিপ্রকৃতির ওপরে নির্ভর করবে পুজোর দিনগুলোয় বৃষ্টি হবে কি না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন