titli's effect, skyline of kolkata
এখনও কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন কলকাতার আকাশ। নিজস্ব চিত্র

ওয়েবডেস্ক: পুজোর ঠিক মুখে মুখে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় চিন্তা বাড়িয়েছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। ঘূর্ণিঝড়টির অভিমুখ ওড়িশার দিকে হলেও, রাজ্যে কী ধরনের দুর্যোগ অপেক্ষা করছে তা পরিষ্কার ছিল না। পাঠকদের সতর্ক করার জন্য বুধবার থেকে তিতলির পরিস্থিতি জানানোর জন্য আমরা লাইভ আপডেট দেওয়া শুরু করি। অবশেষে তিতলি বিদায় নিয়েছে। ধীরে ধীরে উন্নতি করবে রাজ্যের আবহাওয়া।

———————————————————————————————–

১৩ অক্টোবর দুপুর সাড়ে বারোটা (শেষ আপডেট): নিম্নচাপে দুর্বল হয়ে তিতলি বিদায় নিয়েছে কলকাতার ওপর থেকে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে চলে গিয়েছে সে। এর ফলে সকাল থেকেই মাঝেমধ্যে মেঘের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছে সূর্য। দুপুরের পর কলকাতায় মেঘের আস্তরণ অনেকটাই কমে যাবে। ভালো করে দেখা যাবে সূর্যের মুখ। তবে বাতাসে জলীয় বাস্প রয়ে যাওয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও।

দুর্গাপুজোতেও আর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মনোরম আবহাওয়ায় এ বার পুজো জমে ওঠার পালা।

১৩ অক্টোবর সকাল আটটা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পালা শেষ হতে চলল দক্ষিণবঙ্গে। ঘূর্ণিঝড় তিতলি নিম্নচাপে দুর্বল হয়ে দক্ষিণবঙ্গ ছেড়ে ক্রমে বাংলাদেশের দিকে সরে যাচ্ছে। এর ফলে শুক্রবার সারারাতই কমবেশি বৃষ্টি হওয়ার পর শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি নেই। আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও, আশা করা হচ্ছে শনিবার দুপুরের পর থেকে সূর্যের দেখা মিলবে। তবে শুক্রবার রাতে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বেশ ভালোই বৃষ্টি হয়েছে।

১২ অক্টোবর রাত দশটা: আরও কিছুটা দুর্বল হল তিতলি। এই মুহূর্তে সেটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বারিপদার কাছে অবস্থান করছে। এর পরে সেটি খড়গপুর হয়ে কলকাতার দিকে ঘুরবে। আগামী ১৮ ঘণ্টায় সেটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে দুর্বল হতে পারে। শুক্রবার রাত এবং শনিবার সকালেও কয়েক দফা বৃষ্টির পরে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।

১২ অক্টোবর সন্ধ্যে ৬টা: অতিগভীর নিম্নচাপে দুর্বল হয়ে গেলেও তিতলির তাণ্ডবে রাজ্যে মৃত্যু হল একজনের। শুক্রবার খড়গপুর, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরে ব্যাপক প্রভাব পড়ে তিতলির। ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বাড়িঘর। কোথাও কোথাও পুজো প্যান্ডেল ভেঙে পড়ারও খবর পাওয়া গিয়েছে।

এ দিন সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, রাত যতো গড়াবে, ততো বাড়তে পারে বৃষ্টি। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ব্যাপক বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। তবে শনিবার বিকেল থেকেই উন্নতি হবে আবহাওয়ার।

১২ অক্টোবর, দুপুর ২:২০ আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ রিপোর্টে জানানো হয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়, অর্থাৎ শনিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এই মুহূর্তে তিতলি অতি গভীর নিম্নচাপে রয়েছে। আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেটি গভীর নিম্নচাপে শক্তিক্ষয় করতে পারে। এর প্রভাবে বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জোর বৃষ্টি হচ্ছে এই সব অঞ্চলে।

১২ অক্টোবর, সকাল সাড়ে আটটা: তিতলি গভীর নিম্নচাপে দুর্বল হলেও, পশ্চিমবঙ্গের দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে। এর ফলে সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দিঘা, কাঁথি-সহ দুই মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায়। জোর বৃষ্টি হচ্ছে মুর্শিদাবাদ-নদিয়ার বিভিন্ন জায়গাতেও। কলকাতায় এই মুহূর্তে কোনো বৃষ্টি না হলেও, নিম্নচাপ যতো এগোবে, ততো বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে কলকাতায়।

১১ অক্টোবর, রাত সাড়ে ন’টা: ক্রমশ শক্তি খুইয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় তিতলি। এই মুহূর্তে সেটি ভুবনেশ্বরের কাছে অবস্থান করছে। কলকাতার আকাশ এই মুহূর্তে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও, বৃহস্পতিবার শেষ রাত কিংবা শুক্রবার সকাল থেকে জোর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ অতিগভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ দক্ষিণবঙ্গের কাছাকাছি চলে আসবে। ফলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বহাল থাকছে গোটা দক্ষিণবঙ্গের জন্য। এই মুহূর্তে অবশ্য রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

১১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে চারটে: আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় থেকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে শক্তি হারিয়েছে তিতলি। এই মুহূর্তে সেটি গোপালপুরের ৬০ কিমি পশ্চিমে অবস্থান করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি বাংলার দিকে ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা।  এই মুহূর্তে পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে জোর বৃষ্টি হচ্ছে। সন্ধ্যের পর থেকে কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বৃষ্টি নামতে পারে।

১১ অক্টোবর দুপুর ১:১৫ ওড়িশায় আঘাত হেনে বাংলার দিকে ঘুরতে শুরু করেছে তিতলি। তবে বাংলার দিকে যতো এগোবে ততো তার শক্তি দুর্বল হবে। আশা করা হচ্ছে শুক্রবার সকালের দিকে অতিগভীর নিম্নচাপের রূপে রাজ্যের দোরগোড়ায় হাজির হবে সে। সকাল থেকে এখনও কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সে ভাবে বৃষ্টির দেখা নেই। কিন্তু সন্ধ্যের পর থেকে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জোর বৃষ্টি হচ্ছে মুরশিদাবাদ-নদিয়া-বীরভূমে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

তবে তিতলির প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় দিঘায় ১৪১ এবং কাঁথিতে ১০২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।

এ দিকে তিতলির প্রভাবে গোপালপুর এবং অন্ধ্রের শ্রীকাকুলমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। জায়গায় জায়গায় উপড়ে পড়েছে গাছ। এখনও পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে।

১১ অক্টোবর, সকাল আটটা: ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ওড়িশার গোপালপুরের কাছ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করেছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলি। আছড়ে পড়ার সময়ে বাতাসে সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬৫ কিমি। এই তীব্র হাওয়ার ফলে ওড়িশা উপকূলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে তিতলি এ বার পশ্চিমবঙ্গের দিকে বাঁক নেবে। বুধবার রাত পর্যন্ত তার ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বহাল থাকবে, তারপর থেকে দুর্বল হতে শুরু করবে। অতিগভীর নিম্নচাপ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে হাজির হতে পারে তিতলি। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া থেকে নিস্তার নেই পশ্চিমবঙ্গের।

১১ অক্টোবর, রাত ২টো:  আবহাওয়া দফতরের রাত দেড়টার বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তিতলি গত ছ’ ঘণ্টায় ঘণ্টাপ্রতি ১১ কিমি করে এগিয়ে গিয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ১৪০ থেকে ১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। কাল সকালে গোপালপুর কাছে তিতলি আছড়ে পড়বে। এর প্রভাবে ঘণ্টায় ১৬৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তিতলির প্রভাবে কলকাতা-সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে লাগাতার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা।

১০ অক্টোবর রাত ন’টা: ফের জোর বৃষ্টি কলকাতায়। বুধবার সারা রাতই দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তুলনায় বেশি বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী অঞ্চলে। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির দাপট এখন কিছুটা কম থাকলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তা বাড়তে পারে।

আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ওড়িশার গোপালপুরে আছড়ে পড়বে তিতলি। আছড়ে পড়ার সময়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৬৫ কিমি। আছড়ে পড়ার পরেই তিতলি ঘুরে যাবে পশ্চিমবঙ্গের দিকে।

এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি অনেকটাই বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগণায় চরম অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করে রাখা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি অঞ্চলগুলিতে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জারি করে রাখা হয়েছে।

১০ অক্টোবর সন্ধ্যে সাতটা: তিতলির জন্য আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হল দক্ষিণ ভারতগামী একাধিক ট্রেনের। দক্ষিণপূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে হাওড়া-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস, হাওড়া-শ্রীসত্যসাই প্রশান্তি নিলায়ম এক্সপ্রেস, হাওড়া-বেঙ্গালুরু যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং আগরতলা-বেঙ্গালুরু ক্যান্টনমেন্ট এক্সপ্রেস ভুবনেশ্বর রুটের বদলে যাবে খড়গপুর, ঝাড়সুগুডা, সম্বলপুর, রায়গড়া, বিজয়নগরম হয়ে। বুধবার রাতের হাওড়া-চেন্নাই মেল এবং শালিমার-নাগেরকোয়েল গুরুদেব এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের বদলে বৃহস্পতিবার যথাক্রমে সকাল ৮টা এবং ৮:১৫-এ ছাড়বে।

এ দিকে ট্রেনের সময়সূচির এ রকম আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে হাওড়া স্টেশনে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন যাত্রীরা।

১০ অক্টোবর, সন্ধ্যে ছ’টা: ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। বুধবার সন্ধ্যায় দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে শহরে।

১০ অক্টোবর, বিকেল ৪:৫০: উপকূলবর্তী অঞ্চলে জোর বৃষ্টি হচ্ছে। তবে কলকাতায় এখন বৃষ্টি বন্ধ। আগামী দু’এক ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টি শুরু হয়েছে বর্ধমান, বাঁকুড়ার কিছু অঞ্চলেও।

১০ অক্টোবর, দুপুর আড়াইটে: আবহাওয়ার দফতরের সর্বশেষ রিপোর্ট। ইতিমধ্যে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শক্তি বাড়িয়েছে তিতলি। সেটি এখন গোপালপুরের ২৮০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব এবং কলিঙ্গপতনমের ২৩০ কিমি দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছে। ঝড়টি আরও শক্তি বৃদ্ধি করে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে গোপালপুরে আছড়ে পড়তে পারে। আছড়ে পড়ার সময়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬৫ কিমি থাকতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের জন্য সতর্কতা

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার দুপুরের পর থেকেই রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করবে। রাত থেকে হাওয়ার গতিবেগ আরও বাড়তে পারে। শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করে রাখা হয়েছে।

তিতলির প্রভাবে মেঘাচ্ছন্ন কলকাতার আকাশ।

১০ অক্টোবর, দুপুর ২টো: প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল, বইছিল ঝোড়ো হাওয়া। দুপুর দেড়টার কিছু পর থেকেই শুরু বৃষ্টি। তবে তার আগে থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। আপাতত খুব ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও, সময় যত গড়াবে তত বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

১০ অক্টোবর, দুপুর ১:২৫: উপকূলে আছড়ে পড়ার সময়ে গোপালপুর, পুরীতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় দেড়শো কিলোমিটার। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।

১০ অক্টোবর, সকাল ১১:৩৫: সর্বশেষ রেডার চিত্র বিশ্লেষণ করে বলা হচ্ছে যে দুপুর সাড়ে বারোটার পর থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে শহর কলকাতায়। ইতিমধ্যেই তিতলির প্রভাবে মাঝেমধ্যেই দমকা হাওয়া দিচ্ছে শহরে।

১০ অক্টোবর, সকাল দশটা: আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হল, সাধারণ ঘূর্ণিঝড় থেকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে শক্তিবৃদ্ধি করেছে তিতলি। আগামী ১৮ ঘণ্টার মধ্যে সেটি আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে সে। গোপালপুরে আঘাত হানার সময়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৪৫ কিমি।

১০ অক্টোবর, সকাল সাড়ে আটটা: গোপালপুর থেকে ৪১০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব, কলিঙ্গপতনম থেকে ৩৪০ কিমি দক্ষিণপূর্ব এবং কলকাতা থেকে ৬৭০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় তিতলি। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর এবং বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার মতে, আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে তিতলি। বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ সেটি গোপালপুরের কাছে আঘাত হানতে পারে। তার পরেই পশ্চিমবঙ্গের দিকে তিতলির ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধে থেকে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করবে। ইতিমধ্যে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতায় আপাতত বৃষ্টি না হলেও, যত সময় এগোবে ততো বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সমুদ্র থাকবে উত্তাল। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কিছু কিছু মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিতলি ওড়িশায় আঘাত হানার আগে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপও নিতে পারে।

1 মন্তব্য

  1. সাম্প্রতিক খবর পরিবেশন ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস সঠিক জানাবার জন্য এই অনলাইন পরিষেবা আমাদের কাছে দিনে দিনে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন