অভিযুক্ত সৎবাবা। নিজস্ব চিত্র।

কলকাতা: ন’বছরের কিশোরীকন্যার ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠল বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে। আতঙ্কে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই কিশোরী। অভিযোগ পেয়ে বাবা ও মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘুমের ওষুধ নিয়ে স্কুলে গিয়েছিল ওই কিশোরী। কেউ তাকে ভালোবাসে না, তাই আত্মহত্যা করার ইচ্ছে – বন্ধুদের জানায় ওই কিশোরী। স্কুলের টিচার-ইন-চার্জ দোলনচাঁপা চৌধুরীকে ব্যাপারটা জানায় বন্ধুরাই। তিনি চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীর কাছ থেকে শিশি ভর্তি ওষুধ উদ্ধার করেন। স্কুলের পক্ষ থেকে বিষয়টি সোনারপুর থানায় জানানো হয়।

আরও পড়ুন ঋণের নামে প্রতারণার জাল ছিঁড়ল পুলিশ, গ্রেফতার দুই

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জুভেনাইল জাস্টিস কেয়ার অ্যান্ড প্রোটেকশন আইনে মামলা হয়েছে। ছাত্রীর মায়ের নাম মনীষা দাস ও বাবা অসিত দাস। মনীষাদেবীর আগের পক্ষের স্বামী মারা যাওয়ার পরে অসিতবাবুকে বিয়ে করেন তিনি।

স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, মনীষাদেবী আয়ার কাজ করেন। তিনি সকালবেলায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। তার পর বাড়িতে সৎবাবা অসিতবাবুর কাছেই থাকতে হত ওই কিশোরীকে। বাড়ির সমস্ত কাজ তাকে দিয়ে করানো হত। বাসন মাজা থেকে রান্না করা। না করলেই মারধর করা হত। কাজ করলেও প্রতি দিন খাবারও জুটত না বলে অভিযোগ। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে হোমে পাঠিয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন