টহলের সময় বিশ্রাম রত যৌথবাহিনী। ছবি: প্রতিবেদক
Samir mahat
সমীর মাহাত

ঝাড়গ্রাম জেলার এ কোনো প্রত্যন্ত বেলপাহাড়ির সীমানা অঞ্চল নয়, নয় নয়াগ্রামের জঙ্গল এলাকা, যৌথবাহিনীর টহল চলছে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা থেকে সর্ডিহা রেল স্টেশন বরাবর জঙ্গল রাস্তা জুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের গা-সোয়া হলেও দূরদূরান্তের পথযাত্রীরা অনেকই হতচকিত হয়ে উঠছেন এই ভেবে যে, শান্ত জঙ্গল মহলে আবার যৌথবাহিনীর টহল!

পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, রেলের নিরাপত্তার জন্যই প্রতি বছরই বিশেষ বিশেষ সময় এই রুটমার্চ জারি থাকে। আগস্টের এই সময় মাওবাদীদের শহিদ সপ্তাহ পালিত হয়। তার পর রয়েছে ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবস। গোটা জঙ্গল মহলেই এই সময় সতর্কতা জারি থাকে।

উল্লেখ্য, ভিন্ রাজ্যের সঙ্গে এই রেলপথ যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথের টাটা-খড়্গপুর শাখার মধ্যে কানিমহুলি ও বাঁশতলা স্টেশন দু’টি একেবারে জঙ্গল অধ্যুষিত। অতীতে মাওবাদী সন্ত্রাসের সময় বাঁশতলাতেই রাজধানী এক্সপ্রেস অবরোধের ঘটনা ঘটে। বড়ো ধরনের জ্ঞানেশ্বরী নাশকতার ঘটনা ঘটে সর্ডিহা ও খেমাশুলি স্টেশনের মাঝে। পুলিশ প্রশাসন তাই এই সময় জঙ্গল এলাকায় অতি সতর্কতা জারি রাখে। তাই এই নিয়মিত পুলিশি টহল চলে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

আরও পড়ুন: “চাষির ঘরের ছেলে, এ আবার নতুন কী খবর”, লাঙল-বলদ নিয়ে মাঠ থেকেই বললেন বিধায়ক

স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “আমরা আর কোনো ভাবেই আতঙ্কিত নয়। ভয়াবহ কষ্টের দিনগুলি পার হয়ে গিয়েছে”।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন