cpim workers murder case
এই বাড়িতেই পুড়িয়ে মারা হয়েছিল সিপিএমের কর্মী দম্পতি

ওয়েবডেস্ক: গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কাকদ্বীপে বুধাখালী গ্রামে সিপিএম কর্মী দম্পতিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে তুলল পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে ৮ জনই সিপিএম কর্মী হিসাবে এলাকায় পরিচিত। স্বাভাবিক ভাবেই এই গ্রেফতারি নিয়ে শুরু হয়েছে চাপান-উতোর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম সম্পাদক শমীক লাহিড়ী সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, সিপিএম কর্মী দেবু দাস ও ঊষারাণী দাসের হত্যাকাণ্ডে জড়িত তৃণমূল কর্মীদের আড়াল করতেই পুলিশের এমন নির্লজ্জ গ্রেফতারি।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, যে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরা নিরীহ গ্রামবাসী। মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার জন্যই এঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রামবাসীরা অবশ্য প্রথম থেকেই দাবি করে আসছেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাসক দলের সম্পর্ক রয়েছে।

অবশ্য পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তের কাজ চলছে। ওই ঘটনার সঙ্গে য়োগসূত্র থাকাতেই ৯ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিপিএমের অন্তর্কলহেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে তেলঙ্গনা থেকে বিদ্যুৎ হালদার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে জেরা করেই বাকি ৮ জনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক অভিযুক্তদের চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।


আপডেট পড়ুন: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে ভাঙা হল সেই বাড়ির বিপজ্জনক অংশ


স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যুৎ-সহ মোট ৯ জনের মধ্যে ৮ জনই এলাকায় সিপিএম কর্মী হিসাবে পরিচিত। পুলিশ প্রথমে ঘটনাটিকে আগুন লাগার ঘটনা বলে চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু সিপিএমের আন্দোলনের চাপে পড়ে ফের নতুন করে তদন্তে নেমে সিপিএম কর্মীদেরই ফাঁসিয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন