fire arms

ওয়েবডেস্ক: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে চন্দননগর গঙ্গার ঘাটে হানা দেয় পুলিশ। তাদের কাছে খবর ছিল, ওই স্থানে রাতের আঁধারে চলে আগ্নেয়াস্ত্র কেনাবেচা। সেখানে গিয়ে বড়োসড়ো সাফল্য পায় পুলিশ। হাতেনাতে পাকড়াও হয় দুই দুষ্কৃতী। তাদের জেরা করেই পাওয়া যায় তৃতীয় ব্যক্তির সন্ধান। পাশাপাশি মিলল আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ।

চন্দননগর গঙ্গার ঘাটে অস্ত্র কেনাবেচার দায়ে বমাল গ্রেফতার হয় বাপন মণ্ডল, শেখ নুরউদ্দিন ও প্রণবেশ দে ওরফে বাপি তিন অভিযুক্তকে। ধৃত বাপির সাবিনারার বাড়িতেই চলত বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কাজ। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল সংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্রের নাগাল পায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, বাপির বাড়ি থেকে ২২০টি ৭ এমএম কার্তুজ, ৭০টি ৮ এমএম কার্তুজ, ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি হদিশ মেলে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ ,লেদ মেশিন, স্প্রিং প্রভৃতি অস্ত্র তৈরির প্রচুর সরঞ্জাম। ওই সমস্ত সামগ্রীও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। একই সঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদেরও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

জেল বন্দিদের জন্য পুজোর ক’দিন স্পেশ্যাল মেনু!

জেরার মুখে অভিযুক্তরা জানিয়েছে, বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে চন্দননগরে বসে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করত তারা। তার পর সেই আগ্নেয়াস্ত্র গোপনে বিক্রিও করত।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন