Durga Puja
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

কলকাতা: পুজোর ক’দিন জেল ক্যান্টিনের খাবারেও আসতে চলেছে বৈচিত্র্য। সচরাচর সারা বছর ধরে সংশোধনাগারের বন্দিদের যে ধরনের খাবার দেওয়া হয়, এ বারের পুজোর ক’দিন বদলাবে সেই তালিকা। সে আলিপুর-ই হোক বা দমদম, সর্বত্রই জেল কর্তৃপক্ষ নিয়ে ফেলেছেন বিশেষ উদ্যোগ।

পুজো মানেই নির্ভেজাল-নিটোল আনন্দ। সেই আনন্দের এক বড়োসড়ো উপাদান মনপসন্দ খাবারদাবার। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে মনের মতো উদরপূর্তি সম্ভব হলেও সংশোধনাগারের বাসিন্দাদের ইচ্ছে থাকলেও তা পূরণ করার উপায় নেই। এ বছর আর অন্যান্য বারের মতো সংশোধনাগারগুলি থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে না বলে আগাম জানিয়েছে রাজ্য। অধিকাংশ না হলেও কেউ কেউ নিজের অতীত রেকর্ডের নিরিখে পুজোর ক’টা দিন প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কাটাতে পারতেন। তবে সার্বিক ভাবে পুজো উপলক্ষ্যে খাদ্যতালিকার রদবদল বন্দিদের মনে কিছুটা হলেও আনন্দের রেশ বইয়ে নিয়ে যেতে পারে।

তেমন চিন্তাভাবনা থেকেই ওই সমস্ত সংশোধনাগারের আধিকারিকরা স্থির করে ফেলেছেন কোন দিন পাতে কী উপাদেয় থাকবে। কারা বিভাগের নির্দিষ্ট করা নিয়মেই সারা বছর রুটিনমাফিক খাবার পেয়ে থাকেন বন্দিরা। সেখানে আমিষ-নিরামিষ দুইয়ের আনাগোনা থাকে। তবে পুজো বলে কথা। পাতে থাকবে কাতলা মাছের কালিয়া থেকে ফ্রায়েড রাইসও।

জানা গিয়েছে, কোথাও থাকছে নারকেল দিয়ে ঘুগনি, রুই অথবা কাতলা মাছের কালিয়া, মাছের মাথা দিয়ে মুগ ডাল, লুচি, পায়েস, চাটনি, পাঁপড়, ফ্রায়েড রাইস ইত্যাদি। আবার কোথাও থাকছে পোলাও, খাসির মাংস। তবে দিন বিশেষে বদলে যাবে মেনু।

রাজ্য পরিবেশ দফতর দিচ্ছে ‘গ্রিন পুজো’ শারদ সম্মান

তবে কোথাও কোথাও বিশেষ মেনুর পাশাপাশি অন্য দিনের থেকে আলাদা খাবারও থাকবে। সে ক্ষেত্রে টাকা দিয়ে আগে থেকেই খাওয়ার জন্য কুপন তুলে রাখতে হবে বলেও জানা গিয়েছে। লাগুক না টাকা, বিনিময়ে একটু অন্য খাবার পাওয়া না হয় থাকুক!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন