Rice

কলকাতা: আগামী খরিফ মরশুমে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনে নেওয়ার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, ধানের ্অভাবী বিক্রি সম্পূর্ণ রোধ করা হবে। এ রাজ্যের কৃষকের উৎপাদিত কোনো ধান যাতে অবিক্রিত হয়ে পড়ে না থাকে, সে দিকে কড়া নজর রাখবে সরকার। তাতে যদি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি পরিমাণ ধান কিনতে হয়, সে ক্ষেত্রেও পিছপা হবে না রাজ্য।

জানা গিয়েছে, এ বারের খরিফ মরশুমে রাজ্য সরকার মোট উৎপাদিত ধান থেকে ৫২ লক্ষ টন কিনে নেবে। তবে বিশ্ব খাদ্য দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনে লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি ধান কিনতে পারে রাজ্য। কারণ, কোনো ধানই অবিক্রিত রাখতে চায় না সরকার।

আগামী খরিফ মরশুমে কৃষকের সহায়তায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাজ্য। যেমন খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কৃষকের থেকে কিনে নেওয়ার ধানের দাম সরাসরি তাঁর অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। মাঝে কোনো রকমের মধ্যস্থতাকারীকে বরদাস্ত করবে না রাজ্য। ওই টাকা পৌঁছানোর সর্বাধিক সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে ৭২ ঘণ্টা।

শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যের

একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, আগামী খরিফ মরশুমে কৃষকের থেকে ধান কেনার জন্য ৪৪৪৬ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে রাজ্য। পাশাপাশি ধান কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ১৬০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার জন্য গ্যারান্টারও হবে রাজ্য। তবে ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যের উৎপাদিত ধান কেনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতার বিরুদ্ধে সরব হন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে ধানের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত করে চলেছে কেন্দ্র।

এর আগেও তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেছিলেন, স্কুলের মিড ডে মিলের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সররবরাহ করার কথা কেন্দ্রের ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (এফসিআই)-এর। কিন্তু তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল দিতে পারে না। সেই ঘাটতি পোষাতে হচ্ছে রাজ্যকেই। রাজ্য সরকারের সরবরাহ করা চালেই মিড ডে মিল চলছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন