দার্জিলিং: বন্‌ধের মধ্যেই পড়ুয়াদের জন্য স্বস্তির খবর শোনাল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। পাহাড়ের সমস্ত স্কুলের পড়ুয়াদের নিরাপদে নীচে নামানোর জন্য শুক্রবার, ২৩ জুন, বারো ঘণ্টার সময় দিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। একটি বিজ্ঞপ্তিতে মোর্চা নেতা বিনয় তামাং বলেন, “শুধুমাত্র স্কুলবাসে নির্বিঘ্নে শিলিগুড়ি এবং রংপো যেতে পারবে পড়ুয়ারা। তবে অনির্দিষ্টকালের বন্‌ধ চলবে।”

এ দিকে পৃথক রাজ্য গোর্খাল্যান্ডের দবিতে সপ্তম দিনে পড়া গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার অনির্দিষ্টকালের বন্ধের ফলে বুধবারও অচলাবস্থা জারি রইল পাহাড়ে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য বুধবারও দার্জিলিং শহর জুড়ে টহল দিয়েছে পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনী। একমাত্র ওষুধের দোকান ছাড়া পাহাড় জুড়েই বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলি। বুধবার পাহাড় জুড়ে ছোটো ছোটো কয়েকটি মিছিল বের করে মোর্চা সমর্থকরা।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মোর্চার ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে যত দিন না পাহাড় থেকে নিরাপত্তাবাহিনী সরানো হচ্ছে তত দিন অনির্দিষ্টকালের এই বন্‌ধ চলবে। অন্য দিকে নিরাপত্তাবাহিনী রেখে দেওয়ার ব্যাপারে অনড় রাজ্য সরকার। পাশাপাশি পাহাড়ে বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও।

এ দিকে দীর্ঘদিন ধরে চলা বন্‌ধে পাহাড়ের হেঁসেলে যেমন টান পড়েছে, তেমনি কাজ খুইয়েছেন অনেক সাধারণ শ্রমিক। সমতলে কাজ পাওয়ার আশায় বুধবার সকাল থেকেই পাহাড় ছাড়ছেন তাঁরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন