Somen Mitra, Mamata Banerjee and Subrata Mukherjee
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে ফাইলচিত্র

কলকাতা: শুক্রবারই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিপদে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন সভাপতি সোমেন মিত্র। এর আগে ১৯৯২-৯৮ পর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন সোমেনবাবু। সে সময় অবিভক্ত কংগ্রেসে তাঁর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রসের তাবড় নেতৃত্ব। যেখানে রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ রাজনীতিকও। এমনকী সোমেনবাবু তৃণমূলে যোগ দিয়ে সাংসদও নির্বাচিত হন। পরে অবশ্য ফের কংগ্রেসে ফিরে যান সোমেনবাবু। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী যাই হোক, দু’জনের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতি সতত সবুজ। যে কারণে সোমেনবাবু পুনরায় সভাপতিপদে বসার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

সুব্রতবাবু জানান, “তিনি আগেও দায়িত্বে ছিলেন। এটা নতুন নয়। সবার আগে দেখতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে যেন আমরা সবাই মিলে বিজেপি এবং সিপিএমের হাত থেকে রক্ষা করতে পারি। যিনি দায়িত্ব পেয়েছেন তাঁর কাছে অনুরোধ, আমরা মানুষকে যেন রক্ষা করতে পারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক লড়াই করে সিপিএমের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুক্ত করেছেন। ফলে রাজ্যের মানুষকে সিপিএমের হাত থেকে এবং দেশকে বিজেপির হাত যেন রক্ষা করতে পারি-যিনি দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি যেন এই দু’টো বিষয় মাথায় রেখে কাজ করেন”।

তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিপদে সোমেনবাবুর পুনরাভিষেককে মোটেই সোজা চোখে দেখছে না বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা মসৃণ করতেই সোমেনবাবুকে সভাপতিপদে বসালেন হাইকম্যান্ড।


আরও পড়ুন: তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে নিজের মত স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিলেন সোমেন মিত্র

যদিও সভাপতিপদে নাম ঘোষণার পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের সঙ্গে সমান দূরত্ব বজায় রাখার পক্ষেই মত ব্যক্ত করেছেন সোমেনবাবু। তিনি বলেন, রাজ্যে কংগ্রেসের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে তোলাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। এই কাজে কংগ্রেসের প্রত্যেককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন