cartoon-on-teachers

বিশেষ প্রতিনিধি: কিছু দিন আগেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পানীয় জলের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য সচেতনতার দিকটি মাথায় রেখে সেই দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষকরাও। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, জল পরীক্ষার জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে, তা আসবে কোন খাত থেকে?

মাসিক ব্যয়ের রিপোর্ট জমা করতে গিয়েই এই প্রশ্নই বিতর্কের সৃষ্টি করেছে বলে জানাচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। সিআরসি-তে ওই রিপোর্টের সঙ্গেই জল পরীক্ষা কর্মসূচির অগ্রগতির কথা উল্লেখ করতে হচ্ছে। পরিকল্পনা মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে জ্ঞাত করতে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ‘মুচলেকা’ দিতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের তরফে। অর্থাৎ উদ্যোগ নেওয়া হলেও যেমন স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হচ্ছে তেমনই না নেওয়া হলেও তা জানাতে হচ্ছে।

উত্তর কলকাতার এক শিক্ষক বলেন, ‘নির্দেশিকা মতো কাজ করতে আমরা জল পরীক্ষা করার জন্য নির্ধারিত পরীক্ষাগারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। সেখান থেকে জানানো হয়, এই পরীক্ষার জন্য পাঁচশো টাকা দিতে হবে। কিন্তু টাকাটা ঠিক কোন খাত থেকে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে আমার মতো অনেকেই কিছু জানেন না।’

ওই শিক্ষকদের দাবি, সর্বশিক্ষা মিশনের টাকা থেকে বিদ্যালয় পরিচালনের জন্য আনুষঙ্গিক ব্যয় করা হয়। কিন্তু সরকার স্পষ্ট করে না বললে সেই টাকায় হাত দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব হবে না। এখন ওই তহবিল থেকে টাকা নিয়ে পরে কী করে তাঁরা হিসাব মেলাবেন, তা নিয়েই ধন্দ কাটছে না।

এক শিক্ষকের  উত্তর, জন স্বাস্থ্য ও কারিগরি বিভাগে গেলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই সে বিষয়ে বিশেষ কিছু জানেন না। এ বিষয়ে যেহেতু আগাম একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে নির্দিষ্ট পরীক্ষাগারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল তাই ধন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন