Zika Virus

ওয়েবডেস্ক: রাজস্থানের জয়পুরে প্রাদুর্ভাবের পর এখন সারা দেশ জুড়েই গ্রাস করেছে জিকা ভাইরাস আতঙ্ক। তবে প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একটি ঘটনা থেকে আগেভাগেই সতর্কতামূলক পর্যবেক্ষণ শুরু করে দিল পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতর।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জিকা ভাইরাস নিয়ে আগাম সতর্কতা নিতে শুরু হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণ। কলকাতা-সহ রাজ্যে এমনিতেই ডেঙ্গু নিয়ে একটা চাপা আতঙ্ক রয়েই গেছে। তার উপর জিকার বাহকও সেই এডিস ইজিপ্টি মশা। যা চিকনগুনিয়ার বাহক হিসাবেও কাজ করে থাকে। ফলে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ভারতে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম হদিশ পাওয়া গিয়েছিল গুজরাতের অমদাবাদে। তার পর গত জুলাইয়ে জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায়। কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে জয়পুরে জিকার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হয় ২৯ জনের। সম্প্রতি বিহারেও এ ধরনের জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে তড়িঘড়ি চিন্তা করার কিছু নেই। কিন্তু আমরা পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি”।

জেল বন্দিদের জন্য পুজোর ক’দিন স্পেশ্যাল মেনু!

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জিকায় আক্রান্ত হলে ডেঙ্গির মতোই প্রচণ্ড জ্বর আসে। গায়ে র‌্যাশ বের হতে পারে। কনজাঙ্কটিভাইটিস হয়। পেশি ও গ্রন্থিতে ব্যথা এবং তার সঙ্গে থাকে মাথাব্যথা। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই ভাইরাসে আক্রান্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। ডেঙ্গির মতোই জ্বর কমাতে সাধারণ প্যারাসিটামল নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে রক্তচাপ, হার্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিকে স্বাভাবিক রাখার বন্দোবস্ত করতে হয়।

বিশেষ করে অন্ত‌ঃসত্ত্বা মহিলারা জিকায় আক্রান্ত হলে খুব দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে ইউটেরাস এবং ভ্রুণের মধ্যে। এই রোগে গর্ভস্থ শিশুর ‘মাইক্রোসেফালি’ হয় অর্থাৎ মাথা বা মগজ ছোট হয়। ফলে মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ হয় না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন