wheat blast disease
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস থেকে

ওয়েবডেস্ক: গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে গম চাষ নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। কেন্দ্রের তরফে কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল, গম চাষের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে মারাত্মক হুইট ব্লাস্ট ছত্রাক ঘটিত রোগ। একটি ক্ষেত আক্রান্ত হলে সেখান থেকে পার্শ্ববর্তী ক্ষেতগুলিতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া অন্যান্য ফসলের ক্ষেত্রেও ক্ষতিকর হতে পারে এই ছত্রাক ঘটতি রোগ। কিন্তু বর্তমানে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় উপযুক্ত নজরদারির অভাবে ফের শুরু হয়েছে গম বেআইনি বীজ বিনিময়। বিশেষ করে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদেই এর প্রকোপ বেশি।

কেন্দ্রের নির্দেশ পাওয়ার পর রাজ্যের তরফে সীমান্তের পাঁচ কিমির মধ্যে গম চাষ রুখতে ব্যাপক প্রচার অভিযান চালায়। ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে কয়েক হেক্টর জমিতে চাষ করা গম পুড়িয়ে ফেলা হয়। বাংলাদেশের গম ক্ষেতগুলি এই ছত্রাকে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছরই প্রচুর ফসলের ক্ষতি হয়। ফলে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি শস্যবীজ আদানপ্রদানের ফলে সেই রোগ ঢুকে পড়তে পারে ভারতেও।

বর্তামান পরিস্থিতি কিন্তু সেই একই। ফের দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় শুরু হয়েছে নিষেধ না মেনে বেআইনি গম বীজ বিনিময়। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস-কে জানান, “আমরা আশা করেছিলাম পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। সে বিষয়ে উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। কিন্তু সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রহরাবিহীন হয়ে পড়েছে। যে কারণে দু’দেশের কৃষকরা বেআইনি ভাবে শস্যবীজ আদানপ্রদান করছেন”।


আরও পড়ুন: মধ্যরাতেই বাংলাদেশে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সূচনা করছে ভারত

এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষক যে নির্দ্বিধায় গম চাষ করছেন বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসা গম বীজেই। কাজের সূত্রে এ পার থেকে অনেকেই ও পারে যান। তাঁরা যে বেআইনি ভাবে বাংলাদেশ থেকে গমের বীজ নিয়ে চলে আসছেন, তার যথাযথ নজরদারিতে বিএসএফের যথেষ্ট খামতি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন