ওয়েবডেস্ক: যখন স্পষ্ট করেই জানা গেল যে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনে তাঁর গৃহিণীর ভূমিকা আর পালন করতে চান না, তখনই বেশ টের পাওয়া গিয়েছিল ব্যাপারটা। প্রিয়াঙ্কা সরকার পায়ের যেন পায়ের তলায় খুঁজে পেয়েছেন মাটি। সেই মাটি সাফল্যের, সেই মাটি নিজেকে নতুন করে জানার। বুঝে নেওয়া- কী তিনি একা করতে পারেন আর কী পারেন না!

কিন্তু সে ছিল নায়িকার আত্ম উপলব্ধির দিক। আমাদের দিক থেকে বাকি ছিল কেবল একটাই ব্যাপার- চমকে ওঠা! কেন না, যিনি ফিরে এসেছেন নতুন করে ছায়াছবির জগতে, সেই প্রিয়াঙ্কা কোথাও একটা গিয়ে আমাদের কাছে বড়ো অচেনাও। যে আটপৌরে ঘরোয়া মেয়েটি ঘুরে বেড়াতে অভ্যস্ত ছিল নায়িকার অন্দরকাহিনিতে, সে যেন লহমায় মিলিয়ে গিয়েছে নিজের মধ্যেই। আর সেই শূন্য থেকে জাদুবাস্তবতার হাত ধরে সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন যিনি, তিনি পুরোদস্তুর নায়িকা।

প্রিয়াঙ্কা সরকারের সেই নায়িকা সত্তা, সেই অভিনয় কুশলতা সম্মানিত হয়েছে অষ্টম দাদাসাহেব ফালকে চলচ্চিত্র উৎসবে। তাঁর হাত ধরে বাংলায় এসেছে জাতীয় পুরস্কারও। বুঝিয়ে দিচ্ছেন নায়িকা- এখন থেকে ছেলে সহজ আর কেরিয়ারকে কতটা নিবিড় ভাবে সময় দেবেন তিনি।

আর সেই জায়গা থেকেই নিজের রূপকথাতেও বদল এনেছেন নায়িকা। একটু একটু করে ঝেড়ে ফেলেছেন সব দুর্বলতা, এগিয়ে গিয়েছেন দৃপ্ত পায়ে পেশাদারিত্বের দিকে। নিজেকে পৌঁছে দিয়েছেন এক অন্য রূপমাধুরীতে। পরিণামে আমরা পেয়েছি এমন এক নায়িকাকে যিনি লাস্য আর গাম্ভীর্য- দুটোকেই নিয়ে খেলা করতে পারেন দুই হাতে।

ছবিগুলো তো দেখছেনই! আপনার কী মনে হয়?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here