indian win

ওয়েবডেস্ক: শনিবার জোহানেসবার্গে ঐতিহাসিক একটি টেস্ট জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। সেই সঙ্গে একটি রেকর্ড তারা অব্যাহত রেখেছে। সেই রেকর্ডের সঙ্গে অনেকেই হয়তো অবগত নন। রেকর্ডটা হল আজ পর্যন্ত জোহানেসবার্গে ভারতের টেস্টে অপরাজিত থাকা।

১৯৯২ থেকে শুরু হয়ে এখনও পর্যন্ত জোহানেসবার্গে পাঁচটা টেস্ট খেলেছে ভারত। এখনও পর্যন্ত ভারত জিতেছে দু’টি ম্যাচ, তিনটে ম্যাচ ছিল অমীমাংসিত। ২০০৬-তে এই জোহানেসবার্গই দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে ভারতের প্রথম টেস্ট জয় এনে দিয়েছিল। সেই টেস্ট বাঙালির মনে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলির প্রত্যাবর্তনের টেস্ট হিসেবে। যে তিনটে টেস্ট এখানে অমীমাংসিত হয়েছিল, তিনটেতেই ভারতের আধিপত্য বেশি ছিল। যদিও ২০১৩ সালের টেস্টে ভারতের দেওয়া ৪৫৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করে প্রায় জেতার মুখেই পৌঁছে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

এ বার আসা যাক পোর্ট অফ স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালের কথায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই মাঠেই ১৯৭৬ সালে ৪০৬ তাড়া করে জিতেছিল ভারত। পাঁচ বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৭১ সালেও এখানে জিতেছিল ভারত। শেষ বার কুইন্স পার্কে ভারত জিতেছিল ২০০২ সালে। এই মাঠে ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে হওয়া তেরোটা টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছে তিনটে। মাত্র তিনটে টেস্ট হেরেছে এই মাঠে। সেই সঙ্গে সাতটি টেস্ট শেষ হয়েছে অমীমাংসিত ভাবে।

অকল্যান্ডের ইডেন পার্কও ভারতকে বিদেশের মাঠে গৌরব এনে দিয়েছে। ১৯৬৮ সালে এখানেই বিদেশের মাঠে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। ১৯৭৬ সালে এখানেই দ্বিতীয় জয়টি পায় ভারত। এখনও পর্যন্ত এই মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচটি টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত জিতেছে দু’টি এবং দুটি টেস্ট অমীমাংসিত ভাবে শেষ হয়েছে। তবে গত নিউজিল্যান্ড সফরে এখানে একটি টেস্ট ম্যাচ হেরে যায় ধোনির ভারত।

শতাংশের বিচারে হ্যামিল্টনের সেডন পার্কও যথেষ্ট পয়মন্ত। কারণ এখানে ভারতের অপরাজেয় থাকার হার ৭৫ শতাংশ। এই মাঠে নিউজিল্যান্ড-ভারত চার বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত একটি টেস্ট জিতলেও, হেরেছেও মাত্র একটি, অন্য দিকে দু’টো টেস্ট শেষ হয়েছে অমীমাংসিত ভাবে। ২০০৯-সালে এখানে ভারত জিতেছিল, তার সাত বছর আগে ভারত হেরেছিল এই মাঠে। তবে ২০০২ সালে হ্যামিল্টনের সেই পিচ ছিল পুরোপুরি ‘আন্ডারপ্রিপেয়ার্ড।’

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন