প্রায় বেশিরভাগ বাঙালি নিজের দেশ থেকে দূরে আছেন জীবিকার প্রয়োজনে। কিন্তু বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। পুজোর টান অমোঘ টান। তবুও দেশে ফেরা যে দুষ্কর কজের চাপে। তাই সুদূর প্রবাসেই তাঁরা বছরের পর বছর ধরে উদযাপন করছেন দুর্গাপুজো।

১৯৬৩ সালের লন্ডনের ক্যামডেন প্রাঙ্গণ। কিছু প্রবাসী বাঙালির উদ্যোগে শুরু হয়েছিল দুর্গোৎসব। তারপর কেটে গিয়েছে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়। ক্যামডেন পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা দেবীর আরাধনা চালিয়ে গিয়েছেন নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে।

টেমসের তীরের খুঁটিপুজো প্রতিবছর করে ক্যামডেন পুজো কমিটি। তারপর বরণ, অঞ্জলি, সন্ধিপুজো, কুমারী পুজো অবশেষে মায়ের বিসর্জন সমস্ত কিছুই হয় রীতি মেনে।

একেবারে নিষ্ঠার সঙ্গে পাঁচ দিন ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। প্রায় বেশিরভাগ বাঙালি মহিলারা পুজোর কাজ নিজে হাতে করেন। পুজোর সাথে থাকে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। ভাত, শুক্তো থেকে পাঁচমেশালি লাবড়া তরকারি, ডাল, মাছ, মাংস, চাটনি, পায়েস এলাহী আয়োজন করা হয়।

এ ছাড়াও থাকে সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান। সেখানে ছোট থেকে বড় প্রত্যেকেই অংশগ্রহণ করে। সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যর মেলবন্ধনে পুজোর দিনগুলিতে লন্ডনে উঠে আসে বঙ্গের সুবাস।

আরও পড়ুন: সাবেকিয়ানার আদলে সেজে ওঠে জার্মানির বার্লিন ক্র‌য়েজবার্গ পুজো মণ্ডপ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন