Connect with us

ধর্মকর্ম

শ্রীপাট খড়দহে শ্যামসুন্দরের দোল এক অন্য ঐতিহ্য বহন করে

নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর অষ্টম পুত্র বীরভদ্র গোস্বামী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন খড়দহের শ্যামসুন্দরকে।

Published

on

শুভদীপ রায় চৌধুরী

সামনেই দোলযাত্রা। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন মেতে ওঠেন আনন্দের রঙে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সমসাময়িক বঙ্গে এক দিকে ছিল মুসলমান শাসনের অত্যাচার এবং অন্য দিকে ব্রাহ্মণদের জাত্যাভিমানী অহংকার। মাঝখানে সাধারণ মানুষ ছিল নিষ্পেষিত। সেই সময়ে মহাপ্রভুর সহজ সরল নামে-প্রেমে ভেসে গিয়েছিল ব্রাহ্মণ থেকে চণ্ডাল, এমনকি অন্য ধর্মের মানুষও।

Loading videos...

চৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকটের পর তাঁর আদর্শ বাঁচিয়ে তুলেছিলেন চৈতন্যের অন্যতম পার্ষদ নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর অষ্টম পুত্র বীরভদ্র গোস্বামী। এই বীরভদ্র গোস্বামীই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন খড়দহের শ্যামসুন্দরকে। এই শ্যামসুন্দরের দোলযাত্রা এক অন্য মাত্রা বহন করে আপামর ভক্তবৃন্দের কাছে।

শ্যামসুন্দর মন্দিরের গঠনশৈলী অভিনব। নাটমন্দিরের শেষ প্রান্ত থেকে মন্দিরটি দেখতে পালকির মতো। গর্ভগৃহে রুপোর সিংহাসনে অষ্টধাতুর শ্রীমতী ও শিলাময় অনন্তদেবের সঙ্গে রয়েছেন শ্রীশ্যামসুন্দর। হাতে মুরলী। প্রসন্ন গম্ভীর শান্ত মুখ। আয়ত চোখ।

৯৭৭ বঙ্গাব্দের মাঘী পূর্ণিমায় অদ্বৈত আচার্যের জ্যেষ্ঠ পুত্র অচ্যুতানন্দ গোস্বামী শ্যামসুন্দরকে কুঞ্জবাটীতে প্রতিষ্ঠা করেন। পরে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর সহধর্মিণী জাহ্নবী দেবীর ইচ্ছায় শ্যামসুন্দরের বামে অষ্টধাতুর রাধিকামূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে কুঞ্জবাটীতে বিগ্রহসেবার যথেষ্ট জায়গার অভাব দেখা দিলে নির্মিত হয় বর্তমান শ্যামসুন্দর মন্দির। সে-ও চারশো বছরেরও বেশি আগের কথা। বর্তমানে কুঞ্জবাটীতে নিতাই-গৌর এবং বীরভদ্র গোস্বামীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত।

প্রচলিত লোককথা অনুসারে, একই কষ্টিপাথর দিয়ে তিনটি বিগ্রহ তৈরি হয়েছিল – একটি খড়দহের শ্যামসুন্দর, একটি বল্লভপুরের রাধাবল্লভ এবং আর একটি হল সাঁইবোনার নন্দদুলাল। বল্লভ জিউ বিগ্র‌হে তিনি রাধারানির প্রেমাস্পদ, নন্দদুলাল বিগ্রহে প্রকাশ পেয়েছে গোপালসুলভ বাৎসল্য এবং শ্যামসুন্দর বিগ্রহে তিনি স্বয়ং পরমেশ্বর।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, খড়দহ নাট্যকার ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের জন্মভূমি এবং রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য। তবু শ্রীপাট খড়দহের খ্যাতি প্রধানত শ্যামসুন্দর মন্দিরের জন্যই। এই মন্দির স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ‘শ্যামের বাড়ি’ বলেই বেশি পরিচিত। শ্রীশ্রীমা সারদাদেবী একবার বলেছিলেন, “ঠাকুর বলতেন, দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী, কালীঘাটের কালী আর খড়দহের শ্যামসুন্দর – এঁরা জীবন্ত হেঁটে চলে বেড়ান, কথা কন, ভক্তের কাছে খেতে চান।”

শ্রীশ্রীরাধাশ্যামসুন্দরের দোল উৎসব ধুমধাম করে পালিত হয় খড়দহে। কথা হচ্ছিল মন্দিরের কোষাধ্যক্ষ শ্রী দেবমাল্য গোস্বামীর সঙ্গে। তিনি জানালেন, দোলের আগের দিন চাঁচড় পোড়ানো হয় যাকে আমরা ন্যাড়াপোড়া বলে থাকি। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন শ্যামসুন্দর এবং শ্রীমতী। অনুষ্ঠান শেষে তাঁরা আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। পরের দিন ভোরবেলা দেবদোল হয়। তার পর শ্যামসুন্দর-শ্রীমতীকে চতুর্দোলায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দোলমঞ্চে, সেখানে সবাই আবির দেন তাঁদের।

দেবমাল্যবাবু বললেন, প্রচুর ভক্তসমাগম হয় এই দিন এবং দোলমঞ্চে থাকাকালীন তাঁদের লুচিভোগ হয়, সঙ্গে থাকে নানা রকমের মিষ্টান্ন। তার পর বিকালবেলায় আবার মন্দিরে ফিরে আসেন শ্যামসুন্দর। সেখানে তাঁর স্নান হয়। তার পর অন্নভোগ নিবেদন করা হয়। অন্নভোগে থাকে সাদাভাত, শুক্তনি, ভাজা, তরকারি, পোলাও, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। এই ভাবেই ঐতিহ্যের সঙ্গে দোল উৎসব পালিত হয়ে আসছে শ্যামের বাড়িতে।

যথাবিহিত উপচারে এ বারেও দোল উৎসব সম্পন্ন হবে বলে জানালেন দেবমাল্যবাবু।

আরও পড়ুন: কলুটোলার মতিলাল শীলের বাড়িতে ধুমধাম করে পালিত হয় পঞ্চমদোল

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ধর্মকর্ম

অন্নপূর্ণাপুজো: ব্যারাকপুর অন্নপূর্ণা মন্দিরে এ বার শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই পুজো

এই শিবশক্তি অন্নপূর্ণা মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মোট চার বার এসেছিলেন – জমি নির্বাচন, ভিত্তিস্থাপন, মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় এবং শেষ বার ১৮৮২ সালে উলটোরথ উপলক্ষ্যে।

Published

on

মহাদেব ও অন্নপূর্ণা। ব্যারাকপুরের মন্দিরে।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

অন্য দেবদেবীর তুলনায় এই বঙ্গে অন্নপূর্ণা মন্দিরের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তারই মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যারাকপুর তালপুকুর অঞ্চলের অন্নপূর্ণা মন্দির। ব্যারাকপুর- টিটাগড় অঞ্চলের প্রাচীন নাম চানক। তাই এই মন্দির চানক মন্দির নামেও পরিচিত।

Loading videos...

ব্যারাকপুরের এই মন্দির দেখতে অবিকল দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের মতো। মন্দির-স্থাপত্যে সাদৃশ্য থাকার একটা বড়ো কারণ হল, এই দুই মন্দিরের স্রষ্টা একই পরিবারের। ব্যারাকপুরের অন্নপূর্ণা মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রানি রাসমণির কনিষ্ঠা কন্যা তথা মথুরমোহন বিশ্বাসের পত্নী জগদম্বা দেবী। দিনটা ছিল ১২ এপ্রিল ১৮৭৫ সাল। প্রতি বছরের মতো এ বছরেও এই মন্দিরে অন্নপূর্ণাপুজো হবে, তবে করোনার সমস্ত রকমের নিয়মবিধি মেনেই।

ব্যারাকপুরের এই শিবশক্তি অন্নপূর্ণা মন্দির নির্মিত হয়েছিল দক্ষিণেশ্বরের মন্দির নির্মাণের ঠিক কুড়ি বছর পরে। মথুরমোহন বিশ্বাসের ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত করতেই জগদম্বা তৈরি করেছিলেন এই মন্দির। এই মন্দির নির্মাণের পেছনে একটা কাহিনি আছে।

১৮৪৭-এ রানি রাসমণি তাঁর জামাই মথুরমোহন বিশ্বাস, আত্মীয়স্বজন ও দাসদাসীদের নিয়ে বজরায় কাশীযাত্রা করেছিলেন। যাত্রা শুরুর দিন রাতেই তিনি দেবীর স্বপ্নাদেশ পান – কাশী না গিয়ে গঙ্গার পাড়েই মন্দির প্রতিষ্ঠা করে তাঁর নিত্যপুজোর ব্যবস্থা করা হোক। রানি কাশীযাত্রা স্থগিত করে ফিরে আসেন। পরে ১৮৫৫ সালে দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। শোনা যায়, অন্নপূর্ণা-দর্শন না হওয়ায় মথুরমোহনের মনে মনে ইচ্ছে ছিল দেবী অন্নপূর্ণার মন্দির প্রতিষ্ঠা করার। কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় তা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ করেন তাঁর স্ত্রী, রানি রাসমণির ছোটো মেয়ে জগদম্বাদেবী। মন্দির প্রতিষ্ঠার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাঁদের পুত্র দ্বারিকানাথ বিশ্বাস।  

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মন্দিরটি তৈরি করতে প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল। মন্দিরের মূল প্রবেশপথ পূর্ব দিকে। পঙ্খের কাজ যুক্ত ন’টি চূড়াবিশিষ্ট নবরত্ন মাতৃমন্দির, ছ’টি আটচালার শিবমন্দির, দু’টি নহবতখানা, নাটমন্দির, ভোগের ঘর, গঙ্গায় স্নানঘাট ইত্যাদি তৈরি হয়েছিল।

মন্দিরের গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত শিব ও অন্নপূর্ণার বিগ্রহ অষ্টধাতুর। রৌপ্যশতদল আসীনা দেবীর একটি পা ঝোলানো, বাঁ হাতে অন্নপাত্র আর ডান হাতে হাতা। মহাদেব পাশে দাঁড়িয়ে, ভিক্ষাপাত্র নিয়ে। দেবীকে পরানো হয় বেনারসি শাড়ি ও সোনার গয়না। মাতৃমূর্তি দক্ষিণমুখী।

অন্নপূর্ণা মন্দিরের প্রবেশপথ।

অন্নপূর্ণা মন্দিরের তোরণদ্বারের ওপর স্থাপিত রয়েছে এক সিংহমূর্তি। কথিত আছে, এই সিংহমূর্তি নিয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকের সঙ্গে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। ওই সিংহমূর্তি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। কারণ ব্রিটিশদের দাবি ছিল, সিংহ তাদের রাজশক্তির প্রতীক। বিবাদ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। তবে আইনি লড়াইয়ে জয় হয়েছিল রাসমণির পরিবারের।  

ব্যারাকপুরে অন্নপূর্ণা মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে ছ’টি শিবমন্দির – কল্যাণেশ্বর, কাম্বেশ্বর, কিন্নরেশ্বর, কেদারেশ্বর, কৈলাসেশ্বর, ও কপিলেশ্বর। ছ’টি শিবমন্দির নির্মাণের পিছনেও একটি কাহিনি রয়েছে বলে জানা যায়। জগদম্বা দেবী মন্দিরপ্রাঙ্গণে বারোটি শিবমন্দিরই নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি স্বপ্নাদেশ পান যে তিনি যেন তাঁর মায়ের অতুলনীয় কীর্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মন্দির নির্মাণ না করেন। এর পরই তিনি ছ’টি মন্দির নির্মাণ করেন।

ব্যারাকপুর মন্দিরের নির্মাণ শুরু হয় সিবি স্টুয়ার্টের কুঠিবাড়ি কিনে। মূল মন্দিরের সামনে অবস্থিত নাটমন্দিরের কারুকার্য অনেক বেশি। এর থামে গথিক স্থাপত্যের প্রভাব রয়েছে। মন্দিরের ধনুকাকৃতি খিলানে রয়েছে সূক্ষ্ম অলংকরণ ও নকশা। মন্দিরের পাশেই চাঁদনি রীতির গঙ্গার ঘাট, যা রানি রাসমণি ঘাট নামে পরিচিত। এই ঘাটে মহিলাদের সজ্জাবদলের কক্ষ আছে। শোনা যায়, এই ঘাটে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শিখ সৈন্যদের সঙ্গে স্নান করেছিলেন।

কথা হচ্ছিল মথুরমোহন বিশ্বাসের উত্তরসুরি বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি জানালেন, এই শিবশক্তি অন্নপূর্ণা মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মোট চার বার এসেছিলেন – জমি নির্বাচন, ভিত্তিস্থাপন, মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় এবং শেষ বার ১৮৮২ সালে উলটোরথ উপলক্ষ্যে। মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন নৌকাযোগে এসে তিনি মন্দিরপ্রাঙ্গণের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে বেলতলায় বসেছিলেন। সেই বেলগাছটি আজও অক্ষত রয়েছে।

১৮৮৩ সালের ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণেশ্বরে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলার সময় চানকে অন্নপূর্ণা মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ পেড়েছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ। বলেছিলেন, “আমি চানকে অন্নপূর্ণা প্রতিষ্ঠার সময় দ্বারিকবাবুকে বলেছিলাম বড় দীঘিতে মাছ আছে গভীর জলে। চার ফেল, সেই চারের গন্ধে ঐ বড় মাছ আসবে। এক একবার ঘাই দেবে। প্রেম ভক্তি রূপ চার।” (কথামৃত, ৫ম ভাগ, দ্বাদশ খণ্ড, ৫ম পরিচ্ছেদ।)

অন্নপূর্ণা মন্দির, ব্যারাকপুর।

এই মন্দিরে প্রতি দিন দেবীকে অন্নভোগ দেওয়া হয়। এবং ভোগে মাছ থাকা আবশ্যিক। অন্নপূর্ণাপুজোর দিন ভোগে থাকে পোলাও, সাদাভাত, পাঁচ রকমের ভাজা, পাঁচ রকমের মাছ, তরকারি, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। প্রতি মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে বিশেষ পুজো হয়। তা ছাড়া কালীপুজোর পরের দিন এবং অন্নপূর্ণাপুজোর দিন অন্নকূট উৎসব পালন করা এই মন্দিরের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।  প্রায় একশো কেজি চালের অন্নকূট হয় এই মন্দিরে।

কথা বলেছিলাম ভোগরান্না করেন যিনি, সেই বিলাসবাবুর সঙ্গে। তিনি চার বছর ধরে মায়ের ভক্তদের জন্য ভোগ রান্না করছেন। প্রতি বছর অন্নপূর্ণাপুজোর দিন তাঁরা ১৬ জন আসেন এই মহাভোজ রান্না করতে। মায়ের ভক্তদের ভোগে থাকে – খিচুড়ি, নানা রকমের তরকারি, পায়েস ইত্যাদি। তাঁর কথায়, প্রায় ৩০০০ ভক্তের জন্য রান্না করেন তিনি।

বিশ্বজিৎবাবু জানান, এ বারেও অন্নপূর্ণাপুজোর দিন ব্যারাকপুরের মন্দিরে পালিত হবে মহোৎসব। তবে সব কিছুই হবে প্রশাসনের সমস্ত রকম করোনা বিধি মেনে। শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই পালিত হবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে হবে। স্যনিটাইজারের ব্যবস্থা করা হবে এবং সকলকে মাস্ক পরেই আসতে হবে।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণাপুজো: উত্তর কলকাতার পালবাড়ি ও বালিগঞ্জের ঘোষবাড়িতে চলছে জোর প্রস্তুতি

Continue Reading

কলকাতা

Bengali New Year: সুরক্ষাবিধি মেনেই নববর্ষের পুজো হবে বিভিন্ন কালীমন্দিরে

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অবস্থা আরও নাজেহাল। তা হলে এ বার পয়লা বৈশাখে কি বাঙালি আনন্দ করতে পারবে?

Published

on

কালীঘাটের মা কালী।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

উৎসবপ্রিয় বাঙালির জীবনে দু’টি পার্বণ বেশ জনপ্রিয়, একটি দুর্গাপুজো আর একটি পয়লা বৈশাখ। দুর্গাপুজোর সময় যেমন বাঙালি মেতে ওঠে ঠাকুর দেখা, নতুন জামাকাপড় পরার আনন্দে, তেমনি পয়লা বৈশাখে মেতে ওঠে হালখাতা, মিষ্টিমুখ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে বর্ষবরণের আনন্দে। তবে গত বছর করোনাভাইরাসের কারণে বাঙালিকে গৃহবন্দি থাকতে হয়েছিল এই দিনটিতে, পুজোতেও যে তেমন আনন্দ করতে পেরেছিল তারা তাও নয়।

Loading videos...

এ বছরেও করোনা পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়। বরং করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অবস্থা আরও নাজেহাল। তা হলে এ বার পয়লা বৈশাখে কি বাঙালি আনন্দ করতে পারবে? উৎসবপ্রিয় মানুষে কি পৌঁছে যেতে পারবে বিভিন্ন মন্দিরে নতুন বছরের পুজো দিতে? কী বলছেন কলকাতার বিভিন্ন মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত সদস্যরা? তাঁরা কতটা ছাড় দিচ্ছেন এ বার পয়লা বৈশাখে? সব কিছু নিয়েই এখন চলছে জোর আলোচনা। এরই মধ্যে হয়তো কলকাতার মানুষজন নতুন বছরের হালখাতা করতে দোকানে দোকানে পৌঁছে যাবেন এ বারও।

তিলোত্তমা মানেই ঐতিহ্য এবং সেই ঐতিহ্যের এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হল কালীঘাট মন্দির। কথায় আছে বঙ্গদেশ কালীক্ষেত্র, অর্থাৎ এখানে মহামায়া আদ্যাশক্তি হলেন সর্বময় কর্ত্রী। ভক্তদের  উপচে পড়া ভিড়, সবার হাতে পুজোর থালা এবং সঙ্গে এক জোড়া লক্ষ্মী-গণেশ, পয়লা বৈশাখে এ যেন এক অতিপরিচিত ছবি কালীঘাটে।

মা করুণাময়ী, টালিগঞ্জ।

গত বছর করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কেউই সে ভাবে নতুন বছরের প্রথম দিন প্রণাম করতে যেতে পারেননি কালীঘাটের কালীকে। তবে এ বছর পয়লা বৈশাখে ভক্তদের পুজো দিতে দেখা যাবে কালীঘাটে, বিভিন্ন নিয়মবিধি মেনেই। করোনার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও নতুন বছরে তাঁরা সবাই মাকে দর্শন করতে যেতে পারবেন। তবে মাস্ক পরে যেতে হবে এবং মন্দির কমিটির তৈরি সমস্ত নিয়মবিধি মানতে হবে। তা ছাড়া একসঙ্গে সবাইকে মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির তরফ থেকে। সকলের জন্য স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং মন্দিরে প্রবেশের আগে থার্মাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থাও থাকছে।

কালীঘাটের মন্দির থেকে একটু দূরেই রয়েছে আরও এক প্রাচীন মন্দির। টালিগঞ্জের করুণাময়ী কালীমন্দির, যে মন্দিরের ইতিহাস বহু দিনের এবং বহু ভক্তের সমাগম ঘটে এই মন্দিরে। কালীঘাটের মন্দিরের মতো করুণাময়ী কালীমন্দিরও সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবারেরই প্রতিষ্ঠিত। নন্দদুলাল রায় চৌধুরী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মা করুণাময়ী কালীকে এবং রানি রাসমণি এই বিগ্রহ দেখেই তৈরি করান দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী। করুণাময়ী কালীমন্দিরেও সমস্ত প্রশাসনিক নিয়মবিধি মেনে পয়লা বৈশাখের পুজো দেওয়া যাবে।

সিদ্ধেশ্বরী কালী, বেহালা।

সকাল ৬টা থেকে পুজো শুরু হবে বলেই জানালেন মন্দির কমিটির সদস্য অশোক রায় চৌধুরী। তিনি জানান, সকলকে মাস্ক পরে আসতে হবে মন্দিরে এবং সঙ্গে প্রসাদের মিষ্টি আনলেও কোনো ফুল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। এ ছাড়া স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে হবে। মন্দিরের গর্ভগৃহের সামনে যে নাটমন্দির রয়েছে সেখানে পাঁচজন করে ভক্তের একসঙ্গে পুজো নেওয়া হবে। সব কিছুই হবে শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই।

বেহালার আনুমানিক ২৫০ বছরের পুরোনো সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরে ভোর ৫টা থেকে পুজো শুরু হয়ে যাবে বলেই জানালেন দেবজিৎ ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, মন্দিরের দালানে এক একবারে পনেরো জন করে ভক্ত আসবেন এবং পুজো দেবেন। সবাইকে মাস্ক মাক্স পরে আসতে হবে এবং অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে স্যনিটাইজার। শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই সিদ্ধেশ্বরীতে পুজো হবে বলে জানান তিনি।

মা কালী, ঢাকা কালীবাড়ি।

প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের ঢাকা কালীবাড়িতেও সকাল থেকে পুজো শুরু হবে বলে জানান মন্দিরের পুরোহিতরা। তবে এ বার সমস্ত রকমের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুজো দিতে হবে ভক্তদের। শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে সকলকে মাস্ক পরে আসতে হবে মন্দির চত্বরে – এমনটাই জানালেন তাঁরা।

দক্ষিণ কলকাতার কসবা অঞ্চলের আদ্যাকালী মন্দির ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত। তারাপীঠ সিদ্ধ শ্রীশ্রী জ্ঞানানন্দ ভৈরবদাস মহারাজ এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে ভোর ৫টা থেকে পুজো শুরু হবে বলে জানালেন মন্দিরের সেবায়েত গোপাল চক্রবর্তী।

আদ্যা কালীর মন্দির, কসবা।

গোপালবাবু বলেন, ১০ জন করে ভক্ত একবারে পুজো দিতে পারবেন এবং সকলকে মাস্ক পরে আসতে হবে এবং অবশ্যই মানতে হবে শারীরিক দূরত্ববিধি।

দক্ষিণ শহরতলির রাজপুর বিপত্তারিণী চণ্ডীবাড়িতেও সকাল থেকে পুজো শুরু হবে পয়লা বৈশাখে। চণ্ডীবাড়িতে কমপক্ষে ২০ জন করে ভক্ত একসঙ্গে পুজো দিতে পারবেন। তবে কোনো ফুল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না বলেই জানাল চণ্ডীবাড়ি। শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে পুজো দিতে হবে চণ্ডীবাড়িতে।

বিপত্তারিণী চণ্ডী, রাজপুর।

একই ভাবে দক্ষিণ কলকাতার লেক কালীবাড়ি, ঢাকুরিয়া শীতলাতলা কালীবাড়িতেও একই নিয়ম রয়েছে সকল ভক্তের জন্য।

দক্ষিণ কলকাতা থেকে চলুন উত্তরে যাওয়া যাক। কলকাতার উত্তর শহরতলির বরানগর বাজারের কাছে রয়েছে আর এক প্রাচীন সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির। সেই মন্দিরেও পয়লা বৈশাখে ভক্তদের ভিড় দেখার মতো হয় বলেই জানালেন মন্দিরের সেবায়ত সুদীপ্ত চক্রবর্তী।

সিদ্ধেশ্বরী কালী, বরানগর।

সুদীপ্তবাবু বলেন, এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে নানা বিধিনিষেধ থাকছে এই মন্দিরেও। সকলকে মাস্ক পরে আসতে হবে আর সঙ্গে অবশ্যই রাখতে হবে স্যনিটাইজার। এই মন্দিরে সে দিন সকাল ৭টা থেকেই পুজো শুরু হয়ে যাবে এবং নাটমন্দিরে সর্বাধিক পাঁচ জন করে ভক্ত একবারে পুজো দিতে পারবেন বলেই জানান তিনি। সকলকে শারীরিক দূরত্ববিধি মানতে হবে।

Continue Reading

ধর্মকর্ম

অন্নপূর্ণাপুজো: বরানগর ও বিরাটির দুই দে বাড়িতে পুজোর আয়োজন

বর্তমানে কলকাতায় বহু বাড়িতে অন্নপূর্ণা পুজো হয়ে থাকে। তাদের পুজো বয়সে নবীন হলেও আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠায় কোনো খামতি নেই।

Published

on

বিরাটির দে বাড়ি ও বরানগরের দে বাড়ির অন্নপূর্ণা পূজা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

জগৎসংসারে সমস্ত কিছুরই উৎপত্তির মূলে রয়েছেন সেই আদি শক্তি মহামায়াই। তাঁর বিভিন্ন লীলায় এবং বিভিন্ন রূপের মাধ্যমে জগতকে উদ্ধার করেছেন। তাঁর সমস্ত রূপের মধ্যে দেবী অন্নপূর্ণার রূপ, যা বিশ্বসংসারকে অন্ন প্রদান করে এবং কেউ যেন অভুক্ত না থাকে সেই বার্তাই প্রদান করে। তিনি স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেবকে ভিক্ষাপ্রদান করছেন। পাশে কোথাও রয়েছে নন্দী মহারাজ, আবার কোথাও তাঁর সহচরী জয়া।

Loading videos...

বর্তমানে কলকাতায় বহু বাড়িতে অন্নপূর্ণা পুজো হয়ে থাকে। তাদের পুজো বয়সে নবীন হলেও আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠায় কোনো খামতি নেই। বেলঘরিয়ার তিয়াস ও বরানগরের আকাশজ্যোতি দু’ জনেই ব্যস্ত বাড়ির পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে।

বরানগরের দে বাড়ির অন্নপূর্ণা।

বরানগর থানার কাছে দে বাড়ির অন্নপূর্ণাপুজো এ বার ৩২ বছরে পদার্পণ করল। প্রথমে দেবীর চিত্রপটে পুজো হলেও পরবর্তী কালে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হয় দে বাড়িতে। এই বাড়ির পুজো তন্ত্রমতে হয় এবং পুজোর দিন দেবীকে রাজবেশে সাজানো হয়।

বহু ব্যস্ততার মধ্যেও আকাশজ্যোতি জানালেন, পুজোর দিন দেবীকে মুকুট, লহড়ীকান, চৌদানি, পাঁচকল্কা, নথ, টিকলি ইত্যাদি নানা গহনা পরানো হয়। পুজোর দিন দেবী চণ্ডীর পুজো হয় এবং চণ্ডীপাঠ হয়।

অন্নপূর্ণাপুজোয় দেবীকে অন্নভোগই নিবেদন করা হয়ে থাকে। ভোগে থাকে সাদা ভাত, পাঁচ রকমের সিদ্ধ, ৯ রকমের ভাজা, শুক্তানি, পনীর, পোলাও, তিন রকমের মাছ, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। এ ছাড়াও দেবীকে সেই দিন ১০৮টি দীপ নিবেদন করা হয় এবং পুজোর পরের দিন শ্রীধর জিউকে কেন্দ্র করে রামনবমীর পুজো হয় দে বাড়িতে। তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে পুজোয়। নিমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য স্যনিটাইজার এবং থার্মাল স্ক্রিনিংএর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল ভক্তকে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে এবং মাস্ক পরে আসতে হবে পুজোয়, এমনটিই জানালেন আকাশজ্যোতি দে।

বিরাটির দে বাড়ির অন্নপূর্ণা।

অপর দিকে বিরাটির দে বাড়িতেও চলছে অন্নপূর্ণেশ্বরীর বিশেষ আয়োজন। সেই বাড়ির পুজোর মূল উদ্যোক্তা হলেন তিয়াস দে। বরানগর দে বাড়ির অপেক্ষা এই বাড়ির পুজো নবীন হলেও পুজোর উপাচারে কোনো খামতি নেই বলেই জানালেন তিয়াস। এই বাড়ির পুজোর আগের দিন সকালে চণ্ডীপাঠ হয় এবং বিকালে দেবীর অধিবাস সম্পন্ন হয়।

পুজোর দিন সকাল সকাল দেবী অন্নপূর্ণার মূল পুজো শুরু হয়ে যায়। এই বাড়িতে প্রতীকী বলিদানের প্রথাও রয়েছে। পুজোর দিন চালকুমড়ো, কলা ইত্যাদি বলি দেওয়া হয়। এই বাড়িতেও দেবীকে অন্নভোগ নিবেদন করা হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, পোলাও, খিচুড়ি, আট রকমের ভাজা, তিন রকমের ডাল, কাঁচকলার কোপ্তা, শুক্তানি, আলুপোস্ত, ফুলকপির তরকারি, ধোঁকার তরকারি, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। সন্ধ্যাবেলায় দেবীকে লুচিভোগ দেওয়া হয়, সঙ্গে থাকে ছোলার ডাল, ছানার কোফতা, মালপোয়া, লাড্ডু ইত্যাদি।

দে বাড়ির বিশেষ রীতি হল ভিক্ষাদান, অর্থাৎ পুজোর শেষে বহু ভক্ত মহাদেবকে ভিক্ষাপ্রদান করেন চাল, পাঁচ রকমের ফল, পৈতে ইত্যাদি নানান উপকরণ দিয়ে। পুজোর পরের দিন দেবীকে পান্তাভাত, কচুশাক ইত্যাদি নিবেদন করা হয়। সন্ধ্যায় বিসর্জনের আগে কনকাঞ্জলিপ্রথা রয়েছে বিরাটির দে বাড়িতে। তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে নানান বিধিনিষেধ এই বাড়িতেও রয়েছে। সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে অল্পসংখ্যক নিমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়েই এ বার পালিত হবে পুজো, এমনটাই জানালেন তিয়াস।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণাপুজো: উত্তর কলকাতার পালবাড়ি ও বালিগঞ্জের ঘোষবাড়িতে চলছে জোর প্রস্তুতি

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
ক্রিকেট8 hours ago

IPL 2021: স্পিনের জালে জড়িয়ে মুম্বইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করল হায়দরাবাদ

বাংলাদেশ9 hours ago

ভক্ত-সতীর্থদের চোখের জলে শেষ বিদায় কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে

Remdesivir
দেশ11 hours ago

মধ্যপ্রদেশের সরকারি হাসপাতাল থেকে চুরি গেল কোভিডরোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডেসিভির

Covid situation kolkata
রাজ্য12 hours ago

Bengal Corona Update: হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ, তার মধ্যেও সামান্য কমল সংক্রমণের হার

দঃ ২৪ পরগনা12 hours ago

গুজরাত রেল পুলিশ ক্যানিং থেকে উদ্ধার করল ৮ কেজি চোরাই সোনার গয়না

রাজ্য13 hours ago

Bengal Polls 2021: ভোটের শেষ লগ্নে অসুস্থ মদন মিত্র

দেশ14 hours ago

করোনায় নাভিশ্বাস দশা রাজ্যের, ‘বাংলায় ব্যস্ত’ প্রধানমন্ত্রীকে ফোনে পেলেন না মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে

বাংলাদেশ15 hours ago

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তির বিদায়, বনানী কবরস্থানে সমাহিত কবরী

রাজ্য20 hours ago

Bengal Polls Live: পৌনে ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৮.৩৬ শতাংশ

পয়লা বৈশাখ
কলকাতা3 days ago

মাস্ক থাকলেও কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরে শারীরিক দুরত্ব চুলোয়, গা ঘেষাঘেঁষি করে হল ভক্ত সমাগম

রাজ্য3 days ago

স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

শিক্ষা ও কেরিয়ার1 day ago

ICSE And ISC Exams: দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা পিছিয়ে দিল আইসিএসই বোর্ড

কোচবিহার3 days ago

Bengal Polls 2021: শীতলকুচির গুলিচালনার ভিডিও প্রকাশ্যে, সত্য সামনে এল, দাবি তৃণমূলের

গাড়ি ও বাইক2 days ago

Bajaj Chetak electric scooter: শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরেই বুকিং বন্ধ! কেন?

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: দীপক চাহরের বিধ্বংসী বোলিং, চেন্নাইয়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল পঞ্জাব

ক্রিকেট3 days ago

দুর্নীতির অপরাধে ক্রিকেট থেকে ৮ বছরের জন্য বহিষ্কৃত জিম্বাবোয়ের কিংবদন্তি হিথ স্ট্রিক

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে