‘ফেক নিউজ’-এর যুগে আদৌ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে কি ‘এপ্রিল ফুল’?

0

ওয়েবডেস্ক:  এপ্রিল ফুলের দিন মানেই তো কোনো না কোনো পন্থায় প্রিয়জনকে বোকা বানানোর দিন। যে কারণে প্রতিষ্ঠিত সংবাদ মাধ্যমও এই বিশেষ দিনটিতে কোনো ভুয়ো খবর পরিবেশন করে চমক লাগিয়ে দেয়। কিন্তু ফেক নিউজের জমানায় কি আর নিজের বৈশিষ্ট ধরে রাখতে পারবে এপ্রিল ফুলের এই চমৎকারিত্ব?

আগামী রবিবার বহুজনপ্রিয় বিশ্ববাসীর এপ্রিল ফুল। যখন পৃথিবীতে হরেক কিসিমের দিবসের আবির্ভাব ঘটেনি তখন থেকেই চলে আসছে এপ্রিল ফুলে প্রিয়জনকে বোকা বানানোর রীতি। না, এর জন্য যে প্রয়োজন পড়ে না নির্দিষ্ট কোনো আদব-কায়দার। তবে বোকা বানানোর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া সামাল দেওয়ার মতো ধৈর্য এবং মানসিক শক্তি অবশ্যই দরকার পড়ে।

এপ্রিল ফুল
সুতোয় নোট বেঁধে ফেলে রাখার প্রাচীন প্রথা

‘ফেক’ নিউজের যে সংজ্ঞাটি কী, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন পড়ে না। কারণ কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার পরে তার পাল্টা খবর প্রকাশ করে আগেরটি ভুল ছিল এমন স্বীকারোক্তি অনেক সময়েই কপাল থেকে ফেক-এর তকমা ছিনিয়ে নেয়।

এপ্রিল ফুল২
এই দিনটা আবার যখন বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ওঠে

আবার পুরোপুরি ভুয়ো তেমন খবরও কোনো কোনো সময় এমন গণহিস্টিরিয়ার সৃষ্টি করে, যাকে ‘ফেক’ থেকে খাঁটিতে টেনে নিয়ে আসতে বাধ্য করে। তা কতটা সফল হল, জানার আগেই বাজারে আমদানি হয়ে যেতে পারে আর একটা ‘ফেক’। কারণ এখন হাতে-হাতে মোবাইলের স্ক্রিনে ফেসবুক-টুইটার হোক বা হোয়াটসঅ্যার, ফেকের দরজা ফাঁক করে খোলা।

নিচের এপ্রিল ফুল টুইটারটি দেখুন। কোনো নতুন উত্তেজনা জাগায় কি?

উত্তরটা আশা করা যায় ‘না’-ই হবে। কারণ এর থেকেও মারাত্মক সব খবর দিয়ে সারা বছরই ফুল থেকে ফুলেস্ট করে চলেছে ওই সব ফেক নিউজ। থাক সে সব কথা। হাতে সময় খুব কম। তৈরি করুন প্যাঁচ-পঁয়জার। কী ভাবে ঠকাবেন কাছের জনকে?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.