Connect with us

বিজ্ঞান

ভারতের আটটি শহরে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির নেতৃত্ব দিচ্ছে ১৪টি প্রকল্প

ওয়েবডেস্ক: দেশের চাহিদা পূরণের পরেও বিশ্বের প্রায় দেড়শোটি দেশে বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন রফতানি করে ভারত। স্বাভাবিক ভাবেই কোভিড-১৯ (Covid-19)-এর ভ্যাকসিন তৈরিতেও জোরকদমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশের একাধিক সংস্থা। সরকারি সমর্থনে বেসরকারি সংস্থা অথা শিক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৪টি প্রকল্প নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ডিপার্টমেন্ট অব বায়োটেকনোলজি (DBT) এবং ডিপার্টমেন্ট অব সায়েন্স (DST) সূত্র জানাচ্ছে, দেশের আটটি রাজ্যের আটটি শহরে এই ১৪টি গবেষণা ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে চারটি গবেষণা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘পিএম কেয়ারস ফান্ড’ (PM Cares Fund) গঠন করেছেন। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেন, এই তহবিল থেকে ভ্যাকসিন তৈরির প্রকল্পগুলির জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। যদিও ওই ১৪টি গবেষণা অনুদান পাচ্ছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রজেক্টগুলির স্ক্রিনিং ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।

এই ১৪টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া, জেনোভা, সিগ্যাল বায়োসলিউশনস এবং এনজেন বায়োসায়েন্সেস, অমদাবাদের ক্যাডিলা হেলথকেয়ার, হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক, আইআইসিটি-হায়দরাবাদ এবং অরবিন্দ ফার্মা, ভেলোরের সিএমসি ভেলোর, নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইমিউনলজি, ইনদওরের আইআইটি-ইনদওর, মোহালির আইআইএসইআর-মোহালি, ত্রিবান্দ‌্রামের আইআইএসইআর-ত্রিবান্দ্রাম এবং কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের একটি সংস্থা।

যদিও ভারতে করোনাভাইরাস (Coronavirus) ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করা সংস্থার সংখ্যা এর থেকে অনেক বেশি। ভারতে কোভিড -১৯ (Covid-19) ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসার প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি হায়দরাবাদ এবং পুনের দু’টি স্থানীয় সংস্থাও ওই লড়াইয়ে নতুন করে অংশ নিয়েছে। আরও পড়ুন এখানে: করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দৌড়ে ভারতের আরও দুই স্থানীয় সংস্থা

বিজ্ঞান

করোনাভাইরাস সুপার স্প্রেডার কী?

গত মে মাসে ঘানার একটি মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে এক কর্মী ৫০০ জনকে সংক্রামিত করেন।

ওয়েবডেস্ক: বিয়ের ঠিক দু’দিন পর মারা গিয়েছেন বিহারের পটনা থেকে ৫০ কিমি দূরে পালিগঞ্জের দেহপলিগ্রামের এক বাসিন্দা। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ‘বর’ করোনাভাইরাসে (Coronavirus) সংক্রামিত হওয়ার পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন বলে ধারণা।

গুজরাত থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ওই ব্যক্তি। তার পর বিয়ে। চলতি মাসের ই তিনি মারা যান। বিহারের এই বিয়েবাড়ির ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। বিয়েবাড়িতে অংশ নিয়েছিলেন ৩৬৯ জন আমন্ত্রিত। সরকারি হিসেবে, সোমবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯ জন। আবার তাঁদের সংস্পর্শে আসা আরও ২৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

বিহারে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনাটিই সব থেকে দুর্ভাগ্যজনক ‘সুপার স্প্রেডার’কে সামনে এনে দিয়েছে।

সুপার স্প্রেডার কী?

সুপার স্প্রেডার হলেন এমন ব্যক্তি, সাধারণত অন্য কোনো সংক্রামিত ব্যক্তির তুলনায় একাধিক ব্যক্তিকে সংক্রামিত করার সম্ভাবনা যাঁর মধ্যে বেশি।

সচরাচর কোনো কোভিড-১৯ (Covid-19) আক্রান্তের থেকে গড়ে ২-৩ জনের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদিও কোনো কোনো ব্যক্তি অথবা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সংক্রমণ ছড়ানোর হার অনেক বেশি। মহামারি বিশেষজ্ঞরা তাদেরই সুপার স্প্রেডার হিসাবে চিহ্নিত করেন।

অঙ্কটা কী রকম?

এক জন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসে সর্বাধিক কতজন সংক্রামিত হলে, তাঁকে সুপার স্প্রেডার বলা চলে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারেননি।

তবে মহামারি বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে তুলনামূলক ‘আরও’ (RO) মাপকাঠিকে ব্যবহার করেন। একজন আক্রান্তের কাছ থেকে কতজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, সেটারই একটি আনুমানিক সূচক ধরা যেতে পারে। এই আরও-র গড় ২.৫, অর্থাৎ, এক জন আক্রান্তের থেকে গড়ে আড়াই জন পর্যন্ত সংক্রামিত হতে পারেন। কিন্তু এর কোনো স্থির মাপকাঠি এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

একই ভাবে কোনো ব্যক্তির সুপার স্প্রেডার হয়ে ওঠার নেপথ্য নির্দিষ্ট কোনো কারণকেও চিহ্নিত করা হয়নি। কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণ, আইসোলেশনে পাঠানো, চিকিৎসা ইত্যাদির মাধ্যমে সুপার স্প্রেডারের (super spreader) সংখ্যা কমানো সম্ভব।

আরও কয়েকটি নমুনা

এর আগে ইতালি এবং জার্মানি থেকে ফেরত আসা বলদেব সিং সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বাড়িতে ঢুকে পড়েন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবারের ১৯ জন সদস্য করোনা আক্রান্ত হন। সরকার সংলগ্ন ২০টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে কোয়রান্টিনে পাঠায়।

গত মে মাসে ঘানার একটি মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে এক কর্মী ৫০০ জনকে সংক্রামিত করেন।

Continue Reading

বিজ্ঞান

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

ওয়েবডেস্ক: কোভিড-১৯ প্রতিরোধে এখনও পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিনই (Vaccine) অনুমোদন পায়নি। তবে একশোর উপর সংস্থার তৈরি কয়েক ডজন ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছে মানুষের শরীরে। ভারতে তৈরি একটি ভ্যাকসিনও যথেষ্ট আশার সঞ্চার করেছে। মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল নিয়েও আশাবাদী প্রস্তুতকারক সংস্থাটি।

কী এই কোভাক্সিন?

ভারতে মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যেতে চলা প্রথম করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কোভাক্সিন (Covaxin)। যেটি তৈরি করছে হায়দরাবাদ-ভিত্তিক সংস্থা ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech)।

কোন পর্যায়ে রয়েছে কোভাক্সিন?

সংস্থা দাবি করেছে, মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে কোভাক্সিনের প্রয়োগ ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (DCGI) অনুমোদন পেয়েছে।

পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভায়রোলজি থেকে সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) ভাইরাসের একটি স্ট্রেন ভারত বায়োটেকে স্থানান্তরিত হয়। সেটি থেকেই ভ্যাকসিনটি তৈরি হয়েছে। গবেষকদের দাবি, প্রাথমিক ভাবে প্রিক্লিনিকাল গবেষণায় ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে।। এরপর মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে বাকিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

সংস্থা দাবি করেছে, ডিসিজিআই, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনটির প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অনুমোদন করেছে। প্রি-ক্লিনিক্যাল গবেষণার সুরক্ষা এবং প্রতিরোধের ভ্যাকসিনটির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া উঠে আসার পরই এই ছাড়পত্র মিলেছে।

চলতি জুলাই মাসেই ভারতে কোভাক্সিনের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Human clinical trial) নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রের ইঙ্গিত

গত মঙ্গলবার  কোভিড-১৯ (Covid-19) টিকাকরণের (vaccination) প্রস্তুতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কবে কার্যকরী ভ্যাকসিন (Vaccine) আসতে পারে, সেই টিকা কী ভাবে দেওয়া যেতে পারে, ইত্যাদি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, সমস্ত ধরনের উন্নত প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম ব্যবহার করে কার্যকরী টিকাকরণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি টিকাকরণের বিষয়টি নিয়েও সময় থাকতেই যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। ইতিমধ্যেই কোভিড ভ্যাকসিন তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিতে পিএম কেয়ার্স ফান্ড (PM-CARES Fund) থেকে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

Continue Reading

দেশ

মানবশরীরে পরীক্ষার অনুমতি পেল ভারতের প্রথম কোভিড ১৯ টিকা কোভ্যাক্সিন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে তৈরি একমাত্র টিকা কোভ্যাক্সিন (COVAXIN) মানবশরীরে পরীক্ষার অনুমোদন পেল। ভারতে করোনাভাইরাসের এই প্রতিষেধকটি তৈরি করছে ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech)।

কোভ্যাক্সিন তৈরিতে ভারত বায়োটেককে সহযোগিতা করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর, ICMR) ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)। মানবশরীরে কোভ্যাক্সিন–এর প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা (human clinical trials) চালানোর অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনেরাল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই, DCGI)। আশা করা যায়, আসন্ন জুলাই মাসেই এই পরীক্ষা শুরু হবে।

আরও পড়ুন: টিকা তৈরির দৌড়ে এগিয়ে ব্রিটিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা, বলল হু

পুনের এনআইভি-তে (NIV) সার্স-কোভ-২ স্ট্রেনকে আলাদা করা হয় এবং তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভারত বায়োটেকে। সর্বাধিক জৈব নিরাপত্তায় এই দেশজ টিকা তৈরি হচ্ছে হায়দরাবাদের জেনোম ভ্যালিতে ভারত বায়োটেকের হাইকনটেনমেন্ট ব্যবস্থার মধ্যে।

টিকাটির প্রি-ক্লিনিক্যাল সমীক্ষা এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা সংক্রান্ত সমীক্ষার ফল কোম্পানি জমা দেওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিএসসিও, CDSCO) ডিসিজিআই মানবশরীরে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চালানোর অনুমতি দিয়েছে।

টিকা তৈরি হওয়ার কথা ঘোষণা করে ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. কৃষ্ণ এল্লা বলেন, “কোভিড ১৯ (COVID 19) প্রতিরোধী ভারতের প্রথম দেশজ টিকা কোভ্যাক্সিন-এর কথা ঘোষণা করতে পেরে আমরা গর্বিত। এই টিকা তৈরির কাজে আইসিএমআর এবং এনআইভি-র সহযোগিতা আমাদের সহায়ক হয়েছে। সিডিএসসিও-এর সক্রিয় সমর্থন এবং পথপ্রদর্শন এই প্রকল্পে অনুমোদন পেতে আমাদের সাহায্য করেছে। মালিকানাগত যে প্রযুক্তি আমাদের অধিকারে আছে, তা এ ব্যাপারে কাজে লাগাতে আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টিম এবং উৎপাদক টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে।”

পোলিও, র‍্যাবিস, জাপানিজ এনসেফেলাইটিস, জিকা ও চিকুনগুনিয়ার মতো বিভিন্ন ভাইরাসঘটিত রোগের টিকা উদ্ভাবনের খ্যাতি আছে ভারত বায়োটেকের।

Continue Reading
Advertisement
দেশ36 mins ago

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

দঃ ২৪ পরগনা2 hours ago

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

ভ্রমণের খবর3 hours ago

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

দেশ4 hours ago

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

দেশ5 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৯,১৪৮, সুস্থ ১১,৯১২

বিদেশ5 hours ago

আমেরিকায় আরও ভয়াবহ ভাবে জাল বিস্তার করছে করোনা, এক দিনেই আক্রান্ত ৫২ হাজার

ক্রিকেট5 hours ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

ক্রিকেট6 hours ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

নজরে