চেন্নাই : কচি মাথার কেরামতি খুঁজতে নাসা আয়োজন করেছিল একটি প্রতিযোগিতার। প্রতিযোগিতার নাম ‘নাসা এমইস স্পেস সেটেলমেন্ট প্রতিযোগিতা ২০১৭’। তাতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেল চেন্নাইয়ের ১৮ বছরের বারো ক্লাসের পড়ুয়া সাই কিরন পি। তার গবেষণাপত্রে ছিল পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়ার জন্য একটি ‘লিফট’ বা ‘এলিভেটর’-এর পরিকল্পনা। এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছিল নাসা এমইস রিসার্চ সেন্টার, সান জস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় আর ন্যাশনাল স্পেস সোসাইটি যৌথ ভাবে। এই প্রতিযোগিতায় গোটা বিশ্বের বারো ক্লাসের পড়ুয়ারা নাম দেয়। প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল চাঁদে মানুষের উপনিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা।

প্রতিযোগিতার খবর পেয়ে সাই কিরন বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে। তার পরিকল্পনা নথিবদ্ধ করতে শুরু করে। তার গবেষণার নাম দেয় ‘কানেকটিং মুন, আর্থ অ্যান্ড স্পেস’ আর ‘হিউমিউ স্পেস হ্যাবিট্যাটস’। লিফটের সাহায্যে মানুষকে পাঠানো হবে চাঁদে, সেখানে বসবাসের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধে থাকবে। কিরনের লেখার প্রথম পর্ব জুড়ে রয়েছে ‘লিফট’ তৈরি থেকে সেটির চাঁদে মানুষ নিয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে মানুষের উপনিবেশ তৈরি করার কথা। মহাকর্ষ ছাড়া যে মানুষ ভেসে বেড়াবে সে ব্যাপারেও মন্তব্য করা হয়েছে লেখাতে। এ ছাড়া চাঁদে মানুষের সংস্কৃতিচর্চা, উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ, চাষবাস, বিনোদন, প্রশাসনের ব্যাপারেও জোর দেওয়া হয়েছে। কিরনের কথায় ওই বিশাল লিফটের উচ্চতার হবে ৪০ হাজার কিলোমিটার। আর লিফটের নকশা সুবিধেমতো করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে কিরন। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here