ত্বকে মিশে যাবে প্রযুক্তি! এমনটাই হয়ত হতে চলেছে এই আবিষ্কারের ফলে

electromic-skin
গবেষণার একটি অংশ

ওয়েবডেস্ক : স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার ইত্যাদি ক্রমশ থিন বা স্লিম হচ্ছে। অর্থাৎ পাতলা হচ্ছে। কম্পিউটার সৃষ্টির প্রথম লগ্নে কম্পিউটারের আকার ছিল বৃহৎ।  টিভির আকারও ছিল অনেক বড়ো। মোবাইল ফোনের ওজন ছিল থান ইঁটের মতো। কিন্তু এখন এই সব ক’টি ডিভাইস বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রই এক্কেবারে পাতলা হয়ে গিয়েছে। কার্যকারিতা কিন্তু আরও বেড়েছে। একদিন হয়ত এমন হবে যে দিন স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ইত্যাদি ডিভাইসের কোনো দরকারই পড়বে না। নিজের ত্বকের সাহায্যেই করে ফেলা যাবে প্রযুক্তি সম্পর্কিত যাবতীয় কাজকর্ম।

অবাক হওয়ার মতোই কথা। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেটিরিয়াল সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রফেসর ঝেনান বাও। তিনি ও তাঁর দল একটি আবিষ্কারে মেতেছেন। সম্প্রতি আবিষ্কৃত এই ডিভাইস হল পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রনিক বায়োপলিমার। এই ইলেকট্রনিক বায়োপলিমারটি ব্যবহারের পর ত্বকের সঙ্গে মিশে যাবে!

অসম্ভব পাতলা এই ডিভাইস। প্রায় ওজনহীন। ত্বকের সঙ্গে ব্যবহার করা হলেও এটি কিন্তু শরীরের জন্য একদমই ক্ষতিকর নয়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানবদেহের অনেক অজানা রহস্য উদঘাটন করা যাবে বলে মনে করছেন প্রফেসর ঝেনান বাও।

ঝেনান বাও বিজ্ঞানের একের পর এক আবিষ্কার ও গবেষণার জন্য ইতিমধ্যেই ৪৩টি পুরস্কার লাভ করেছেন। লরিয়াল ইউনেসকো ফর ওম্যান ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ডও লাভ করেছেন তিনি।

ঝেনান বলেন, এই ডিভাইসেও স্মার্ট ফোন কম্পিউটারের মতো সম পরিমাণ ট্রান্সমিটার আছে। কিন্তু সবটাই ত্বক বান্ধব। এই ডিভাইসের প্রত্যেকটি অংশ বা পার্টস খুব সচেতন ভাবে বানানো হয়েছে। সবটাই স্থিতিস্থাপক, সংবেদনশীল, বাইরের তাপ, চাপ, সংকোচন প্রসারণ ইত্যাদি সহ্য করার ক্ষমতা সম্পন্ন।   

এই কাজটি করতে গিয়ে সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে, ত্বকে লাগানোর মতো ইলেকট্রনিক্স, রোবটিক্স ও প্রসথেটিক্সের ওপর।

দেখুন –

বিজ্ঞানের আরও খবর পড়ুন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.