ওয়াশিংটন: পোশাকি নামটা বেশ খটোমটো। ৪১পি/টাটল্‌-জিয়াকোবিনি-ক্রেশাক। বিজ্ঞানীরা মজা করে একে বলছেন এপ্রিল ফুল ধুমকেতু। এপ্রিলের পয়লা তারিখে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসছে ৪১পি ধুমকেতু। না, পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ার আশঙ্কা নেই যদিও। সবচেয়ে কাছে এসেও পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব থাকছে ১.৩ কোটি মাইল অর্থাৎ পৃথিবী থেকে চাঁদ যত দূরে, তারও প্রায় ৫০ গুণ। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, শেষ ৫০ বছরে পৃথিবীর এত কাছে আসেনি ৪১পি ধূমকেতু। কেউ আবার বলছেন, ১০০ বছরেও না।

তিন আবিষ্কর্তা বিজ্ঞানীর নামানুসারেই ধূমকেতুর নাম। মহাকাশে তিন বার আলাদা করে একে দেখা গিয়েছিল বিভিন্ন সময়। শুধু তিনটি যে আসলে একই, বুঝতে ভুল হচ্ছিল বারবার। প্রথমবার বিজ্ঞানী টটল্‌-এর নজরে এসেছিল ১৮৫৮ সালে। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে পৃথিবীর হিসেবে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর। আয়তনে বেশ ছোটোই। ব্যাস সাকুল্যে এক মাইল। এত ছোট হওয়ায় রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা দেবে না এপ্রিল ফুল ধূমকেতু। শক্তিশালী দূরবীনের সাহায্যে উত্তর গোলার্ধ থেকে ভালো মতোই দেখা যাবে একে। 

পৃথিবী থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় দূরত্ব কম হওয়ায় বিজ্ঞানীরা এ সুযোগ ছাড়তে নারাজ। এত কাছে আসার ফলে ধূমকেতু নিয়ে গবেষণার কাজে বেশ কিছুটা সুবিধে হবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। ”যতবার পৃথিবীর কাছাকাছি কোনো ধূমকেতু এসে পড়ে, তার গঠন, জন্ম ইতিহাস নিয়ে অনেক নতুন তথ্য পাই আমরা। সেই সঙ্গে পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস বুঝতেও সুবিধে হয়”, বললেন নাসা-র  বিজ্ঞানী ডিসানটি। 

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here