ওয়াশিংটন: সারা দিনে নানা কাজে-অকাজে ইন্টারনেটটা ব্যবহার করতেই হচ্ছে সবাইকে। সকাল থেকে কম-বেশি সবাই দেখে ফেলেছি গুগল ডুডল-এর অ্যানিমেটেড ছবিটা। শনি আর তার বলয়ের মাঝে কাসিনি মহাকাশযান পৌঁছনোর  ছবি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালির মহাকাশ গবেষণা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৭-এর অক্টোবরে শনির উদ্দেশে পাঠানো হয়েছিল মহাকাশযান কাসিনি। শনির কক্ষপথে পৌঁছতে কাসিনির সময় লেগেছিল বছর সাতেক। তখন থেকেই শনির কক্ষপথে ঘুরে ফিরে, ছবি তুলে নিয়মিত পৃথিবীতে পাঠাচ্ছিল কাসিনি। এ বার তার ঘরে ফেরার পালা। আগামী সেপ্টেম্বরেই পৃথিবীর উদ্দেশে যে পাড়ি দেবে কাসিনি। তার আগে শেষ ক’টা দিন কক্ষপথ ধরে বলয় পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে শনি গ্রহের আরও খানিকটা কাছাকাছি।

 

মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা-র বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শনির বলয় পেরিয়ে যাওয়ার ফলে ওই গ্রহের চৌম্বক বলয় এবং বরফাবৃত উপগ্রহ সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ছবি পাঠাতে পারবে কাসিনি। আগামী মাসে শনির বলয়ের চারপাশে ২২ বার পাক খাবে কাসিনি। এই প্রথম পৃথিবীর কোনো মহাকাশযান শনির এতটা কাছাকাছি পৌঁছতে পারল।

কাসিনির ভেতরে রয়েছে নানা আধুনিক যন্ত্রপাতি, যার সাহায্যে পৃথিবীতে বসেই দিন রাত গবেষণা চালাতে পারেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। সপ্তাহ দুয়েক আগে কাসিনির পাঠানো তথ্য আর ছবি থেকেই বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এসেছেন শনির আবহাওয়া প্রাণের অস্তিত্বের সহায়ক। শনির উপগ্রহ টাইটানের পরিবেশও বেশ অনেকটাই পৃথিবীর মতো।

সপ্তদশ শতকের ইতালীয় মহাকাশবিজ্ঞানী জিওভান্নি ডমেনিকো কাসিনি প্রথম বলেছিলেন, শনির বলয়ের মাঝে ফাঁক রয়েছে। তাঁর নামেই নামকরণ হয়েছে মহাকাশযান কাসিনির।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here