নয়াদিল্লি : মঙ্গলযানের পর শুক্র অভিযানের কথা ভাবছে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো)। জানা গিয়েছে, মঙ্গল অভিযানের মতো এটিও বাস্তবায়িত হতে লাগতে পারে তিন বছর। মোটামুটি ভাবে ২০২০ সাল নাগাদ এই অভিযান বাস্তবায়িত হতে পারে। ইসরোর এক জন অধিকর্তা জানান, এটা একটা লম্বা পদ্ধতি। সবে চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। একটা ঘোষণা করা হয়েছে মাত্র। তার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকদের কাছ থেকে শুক্র অভিযানের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার জন্য সম্ভাব্য পদ্ধতির নকশা চাওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম ডেকান ক্রনিক্যালের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই মহাকাশযানটিতে ১৭৫ কিলোগ্রামের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলের কক্ষপথে পাঠানো মহাকাশে যন্ত্রের ওজন ছিল মাত্র ১৫ কিলোগ্রাম। ইসরোর চেয়ারম্যান এএস কিরণ কুমার বলেন, এটা প্রথমিক পর্যায়ের। সকলে তাকিয়ে আছে পরবর্তীর দিকে।

রিপোর্ট বলছে, প্রাথমিক ভাবে শুক্র অভিযানের জন্য তার চারপাশে ৫০০ X ৬০০০০ কিলোমিটারের একটি কক্ষপথের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই কক্ষপথের পরিসর ক্রমশ কমানো হবে।

ইসরোর আধিকারিক জানান, এটা শুরু। এর পর বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা হবে। একটা নকশা তৈরি করতে হবে। সেটা অনুমোদন করাতে হবে। এই অনুমোদন নিতে হবে সর্ব প্রথম ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞানের অ্যাডভাইজারি কমিটির কাছ থেকে। তার পর স্পেস কমিশন আর সব শেষে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে। সব মিলিয়ে ২০২০-র আগে কিছুই হবে না।

রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, শুক্র পৃথিবীর মতোই। আকার, ভর, ঘনত্ব, মাধ্যাকর্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ও। এটি সূর্যের সব চেয়ে কাছের দ্বিতীয় গ্রহ এবং সেই জন্য এখানে সূর্যের তাপ প্রচণ্ড।

প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সাল থেকেই শুক্র নিয়ে নানান অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেনেরা মিশন। তা ছাড়া বিভিন্ন দেশের ভেনাস ফ্লাইবি, অরিবিউটর, কয়েকটি ল্যান্ডার মিশন এবং বেশ কয়েক বার বায়ুমণ্ডলীয় বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে শুক্রগ্রহকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here