death

ওয়েবডেস্ক: পৃথিবীর ধ্রুব সত্য তো বটেই মৃত্যু! সবাই জানি, জন্মানোর সঙ্গে সঙ্গে এক পা, এক পা করে এগিয়ে চলেছি আমরা সেই দিকেই!

ফলে, মৃত্যু নিয়ে কৌতূহল এবং তার থেকে জন্ম নেওয়া চর্চাও অন্তহীন। অনেকেই এখনও খুঁজে চলেছেন প্রশ্নের উত্তর- কী হয় মৃত্যুর পরে! বা, মৃত্যুর সময় মানুষ ঠিক কোন অবস্থায় থাকে, তখন কী কী ঘটে তার শরীর-যন্ত্রের অভ্যন্তরে।

সেই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া, বলাই বাহুল্য, বড়ো সহজসাধ্য নয়। অতএব, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং চলবে। কিন্তু মৃত্যু-সম্পর্কিত কিছু তথ্যে বিতর্কের কোনোই অবকাশ নেই। তা বিজ্ঞানসম্মত এবং সমীক্ষামূলক সত্য।

এক এক করে জেনে নেওয়া যাক বরং সেগুলো!

death

১. মৃত্যুর সময় না কি মানবদেহের ইন্দ্রিয়ের মধ্যে একমাত্র কান-ই কাজ করে। অর্থাৎ, মৃত্যুমুহূর্তেও মানুষ তার শ্রবণশক্তি হারায় না।

২. মৃত্যুর আগে মানুষ যা খেয়ে থাকে, তার অন্তর্গত উৎসেচক মৃত্যুর ঠিক এক দিন পর থেকে শরীরকে জীর্ণ করতে শুরু করে!

৩. মৃত্যুর ঠিক ৩০ সেকেন্ড আগে মানুষ না কি এক অন্ধকার সুড়ঙ্গ পথে আলোর রেখা দেখতে পায়। যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর সঙ্গে ঈশ্বর বা প্রেতদশার কোনো সম্পর্ক নেই।

৪. সারা বিশ্ব জুড়ে চলা নানা সমীক্ষা বলছে, মৃত্যুর কিছু আগে মানুষ তার সারা জীবনের নানা ঘটনা চোখের সামনে দেখতে থাকে। এটা ঠিক পর্দায় সিনেমা দেখার মতো ব্যাপার নয়। বলা ভালো, সেই সব কিছু খুঁটিনাটি সমেত তার মনে পড়তে থাকে।

৫. মৃত্যুর আগে এক এক করে মানুষের শরীরের সব যান্ত্রিক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। সেই কারণেই মুখের ভিতরটা একেবারে শুকিয়ে যায়। এই কারণেই মৃত্যুর আগে মুখে জল দেওয়ার প্রথা প্রচলিত হয়েছে, বলছেন চিকিৎসকরা।

৬. মৃত্যু যে আসন্ন, তার প্রভাব পড়তে থাকে ত্বকেও। পেশি আর নমনীয় থাকে না, হালকা একটা নীল ছোপ পড়ে ত্বকে, জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

৭. মৃত্যুর একটা নিজস্ব শব্দ আছে। তাকে ইংরেজিতে বলা হয় ডেথ র‍্যাটল। আসলে এই শব্দটা শোনা যায় ফুসফুসের ভিতরে। এই সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাস ক্রিয়া ধীরে ধীরে বন্ধ হতে থাকে। যার জেরে মৃত্যুপথযাত্রীর ফুসফুসে জল জমতে থাকে। তার থেকেই এই শব্দ হয়।

এ ছিল মৃত্যুর সময় কী হয়, তার তথ্য। কিন্তু, সারা পৃথিবী জুড়ে মৃত্যু এবং তার হার কী বলছে?

death

১. মনে করা হয়, সভ্যতার সূচনা থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

২. সমীক্ষা বলছে, জন্ম তারিখেই মারা গিয়েছেন, এমন মানুষের সংখ্যা এযাবৎ ১ লক্ষ ৫৩ হাজার!

৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের মেডিসিন বিভাগ বলছে, চিকিৎসকের খারাপ হাতের লেখা বুঝতে না পেরে ভুল ওষুধ খেয়ে প্রতি বছরে প্রায় ৭,০০০ জনের মৃত্যু ঘটে।

৪. পা পিছলে অথবা বজ্রাঘাতে মানুষের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে সব চেয়ে বেশি!

৫. বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের সমীক্ষা বলছে, প্রতি বছর না কি বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে ৬০০ জনের মৃত্যু হয়!

৬. সমীক্ষা বলে, শুধুমাত্র ব্যায়াম না করে শরীরকে সুস্থ না রাখার দরুন পৃথিবীজুড়ে অজস্র মৃত্যু ঘটে!

৭. সারা বিশ্বেই বর্তমানে মৃত্যুর প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক! তা যে কারণেই হোক না কেন!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here