Oumuamua

ওয়েবডেস্ক : ‘ওউমুয়ামুয়া’ এটি কী? সৌরমণ্ডলের ভেতরে এটি আবিষ্কার হওয়ার পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে। ধুমকেতু না গ্রহাণু? কিন্তু এই দু’টি ছাড়াও আরও একটি বস্তু হওয়ার সম্ভাবনা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রবল ভাবে দানা বাঁধছে। তাঁরা মনে করছেন, এটি সৌরজগতের বাইরের কোনো গ্রহ থেকে আসা বস্তু। ফলে সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে সেই অ্যালিয়েনের।

এটি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। ‘ওউমুয়ামুয়া’ গত বছর অক্টোবর মাসে প্রথম নজরে আসে। এটির আকৃতি কোনো ভাবেই ধুমকেতু বা গ্রহাণুর মতো নয়। একটি লম্বা চ্যাপটা শলাকা গোছের। আয়তন দৈর্ঘ্যে ৪০০ মিটার আর চওড়ায় ৪০ মিটার। রঙ লালচে। মূলত কার্বন রয়েছে এতে। ঠান্ডা একটি পদার্থ। এতে পাথর বা বরফের কোনো চিহ্ন নেই। সূর্যের পাশ দিয়ে অত্যন্ত দ্রুত বেগে ধেয়ে যেতেই দেখা গিয়েছে ওউমুয়ামুয়াকে। এটিই হল আবিষ্কৃত হওয়া প্রথম সৌরজগৎ বহির্ভূত বস্তু। এটি কী? তা পরীক্ষা করার জন্য নানান রেডিয়েশন পাঠানো হয়েছে। স্ক্যান করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতেই এটি নজরের বাইরে চলে যাবে বলেও জানিয়েছেন বৈজ্ঞানিকরা।

প্রসঙ্গত বিষয়টি জানা গিয়েছে, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের দেওয়া তথ্য থেকে।

কেন এটিকে ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের ছোড়া কোনো বস্তু বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা?

আরও পড়ুন পৃথিবীর তিনটি চাঁদ! না কি অন্য কিছু?

যখন কোনো ধুমকেতু বা গ্রহাণূ অন্য কোনো নক্ষত্রের পাশ দিয়ে ছুটে যায় তখন তা থেকে প্রচণ্ড গ্যাস, ধোঁয়া বের হয়। কিন্তু এ থেকে তেমন কিছু হতে দেখা যায়নি। তাঁরা মনে করছেন, এটি সূর্যালোকের দ্বারা চালিত হতে পারে। এমন একটি বিশেষ কৌশলে তৈরি করা হয়েছে এটিকে। আবার এমনও হতে পারে যে, সৌরজগতের বাইরে থেকে পাঠানো কোনো যন্ত্র বা স্পেশশিপ অর্থাৎ মহাকাশযানের ধ্বংসাবশেষ।

তবে যে হেতু ভিনগ্রহে প্রাণের ব্যাপারে এখনও কোনো পোক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই বিশেষজ্ঞরা কোনো কিছুই জোর দিয়ে বলতে পারছেন না। কিন্তু এটি সৌরজগৎ বহির্ভূত কোনো কিছুর ধ্বংসাবশেষ অবশ্যই। সে বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here