supersonic parachute

ওয়েবডেস্ক: বিশ্ব রেকর্ড করল নাসা। একটি বিশাল প্যারাসুট তৈরি করেছে সংস্থা। এই প্যারাসুটটির উচ্চতা ৫৮ ফুট। অর্থাৎ ১৭.৭ মিটার। এটি ওজন বহন করতে পারে ৩৭ হাজার কিলোগ্রাম। এই বিশাল প্যারাসুটটি পুরোপুরি খুলতে সময় লাগে এক সেকেন্ডের ১৪ ভাগের এক ভাগ মাত্র। যা কিনা শব্দের চেয়েও দ্রুত। প্রায় দ্বিগুণ। এটিকে উৎক্ষেপণ করার মাত্র দু’ মিনিটেরও কম সময়ে একটি প্লেলোড থেকে আলাদা হয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ভাসতে শুরু করে। এই প্যারাসুটটি ব্যবহার করা হবে ২০২০ সালের মঙ্গল অভিযানে। সোমবার গোটা বিষয়টি জানায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

এই বিশাল প্যারাসুটটি উড়ন্ত অবস্থায় যখন একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছোয়, তখনই শুরু হয় তার নতুন কার্যকলাপ। প্যারাসুটের কার্যকারিতায় আগে থেকেই সব রকম পরিচালন ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু বিষয়, কিছু অঙ্ক, সংখ্যা ইত্যাদি ঠিক করা থাকে।

প্লেলোডটিতেও তাই। সেই অনুযায়ী প্লে লোডটি পুর্ব নির্ধারিত উচ্চতায় পৌঁছে গেলে সেখানে নাইলন, টেকনোরা আর কেভলারের তৈরি এই প্যারাসুট খুলে যায়।

নাক না কি মুখ, কোনটা দিয়ে শ্বাস নেওয়া ভালো? হাজার বছরের কথা উঠে এল গবেষণায়

নাসার মতে, এত বড়ো একটি প্যারাসুট, এত ওজন আর এত দ্রুত তা খুলে যেতে সক্ষম- এই ঘটনা ইতিহাসে প্রথমবার।

২০২০ সালের মঙ্গল অভিযানের ক্ষেত্রে কোন ধরনের প্যারাসুট ব্যবহার করা হবে তা নির্ধারণ করার জন্য একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তিনটি পরীক্ষা করা হয়েছে। এটিই ছিল তার শেষ পরীক্ষা। এই প্রকল্পটির নাম, ‘অ্যাডভান্সড সুপারসোনিক প্যারাসুট ইনফ্লেশন রিসার্চ এক্সপেরিমেন্ট’।

মার্স ২০২০-র প্রোজেক্ট ম্যানেজার জন ম্যাকনেম বলেন, এই পর্যন্ত মঙ্গল অভিযানে যে সব প্লেলোড পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে এটিই সব থেকে ভারী। এটি একটি প্যারাসুট। এটি খুব ভালো কাজ করছে। এটি দেখতেও দারুণ লাগছে।

তা ছাড়া একটি সুপারসোনিক প্যারাসুটের এই ক্ষেত্রেও এই ৩৭ হাজার কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষমতাও এখনও পর্যন্ত সব থেকে বেশি। যা ২০২০-র মঙ্গল অভিযানের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের অনুমানের থেকে প্রায় ৮৫% বেশি ওজন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here