nasa

ওয়েবডেস্ক: মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একটি নতুন এক্সোপ্ল্যানেট অর্থাৎ গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। গ্রহটির অবস্থান আমাদের সৌর জগতের থেকে বাইরে। অন্য একটি ছোটো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে এটি। এটির আয়তন পৃথিবীর প্রায় দ্বিগুণ। নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশে স্থাপিত ট্রানসাইটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টিইএসএস)-এ এটি ধরা পড়েছে। প্রসঙ্গত কেপলার ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আবিষ্কৃত নতুন গ্রহটির অবস্থান ৫৩ আলোকবর্ষ দূরে। কম দূরত্ব হওয়ার ফলে এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল আর ভূমণ্ডল নিয়ে গবেষণা করা সহজ হবে। ঠিক কী ধরনের দ্রব্য দিয়ে গঠিত তা সহজেই পরীক্ষা করা যাবে।

কেপলার ধ্বংস হওয়ার আগে টিইএসএস উপগ্রহটি মহাকাশে স্থাপন করে দিয়েছে। সেটির মাধ্যমেই আসছে যাবতীয় তথ্য। নতুন আবিষ্কৃত গ্রহের নাম রাখা হয়েছে K2-288Bb। এতে তরল অবস্থায় জলের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন – রবিবারের পড়া : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভবিষ্যৎ বিশ্ব

শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া অ্যাডিনা ফেইন স্টেইন বলেন, এটি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাপার। কারণ এটি কেমন দেখতে, তাপমাত্রা কত, এর আকার সবই অন্য রকম।

নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে নক্ষত্র মণ্ডলে গ্রহটি রয়েছে তার নাম দেওয়া হয়েছে কে২-২৮৮। এই নক্ষত্র মণ্ডলে দু’টি তারা রয়েছে। এরা পরস্পরের থেকে ৫১ লক্ষ মাইল দূরে। এদের মধ্যে একটি কম উজ্জ্বল, একটি বেশি উজ্জ্বল। উজ্জ্বল নক্ষত্রটি সূর্যের আয়তনের অর্ধেক। আর কম উজ্জ্বল নক্ষত্রটি সূর্যের চেয়ে ১/৩ ভাগ বড়ো।

উল্লেখ্য নয় বছর কাজ করেছে কেপলার। মোট ২৬০০টি গ্রহ আবিষ্কার করেছে। তার মধ্যে ৫০টির আয়তণ পৃথিবীর মতোই। এর সাহায্যে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গ্রহের আকার আয়তণ, ভূমণ্ডলের ধরন তাতে প্রাণ আর জলের সম্ভাব্য অবস্থান ইত্যাদির ধারণা করতে পেরেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here