জীবনের সন্ধান করতে এ বার শনির উপগ্রহ ‘টাইটানে’ সাবমেরিন পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা।

নাসার তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, এই সাবমেরিন টাইটানের সমুদ্রগুলির রাসায়নিক মিশ্রণের যাবতীয় তথ্য অনুসন্ধান করবে। সেখানকার সব থেকে বড় সমুদ্রটির গভীরতাও মাপবে। তার ঢেউ-এর গতি, জোয়ারভাটা এবং সমুদ্রতলের আকৃতি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য অনুসন্ধানও করবে। ডুবন্ত অবস্থায় যাবতীয় পরীক্ষা করার সময় এটি পৃথিবীর সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করতে পারবে না। সাবমেরিনটি যখন আবার ভেসে উঠবে, এর শীর্ষে অবস্থিত মাস্তুলটি পৃথিবীর সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করবে।  সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ভাবে এই সাবমেরিনটি জীবনের সন্ধান করতে সক্ষম।

ইনভার্স ডট কম থেকে জানা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাসা ইনোভেটিভ অ্যাডভান্সড কনসেপ্টস সিম্পোজিয়াম-এ নাসার ক্রায়োজেনিক্স ইঞ্জিনিয়ার  জাসন হার্টভিগ জানান, মূলত দু’টি গুরুত্বপূর্ণ কারণে ‘টাইটানে’ এই সাবমেরিন পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক হল হাইড্রোকার্বনভিত্তিক প্রাণ থাকা সম্ভব কিনা। দ্বিতীয় হল আমাদের সৌরজগতের এটিই এক মাত্র উপগ্রহ যাতে মেঘ ও বায়ুমণ্ডল আছে। শুধু ভীষণ ঠাণ্ডা আর তরল মিথেনের সমুদ্র ছাড়া, টাইটান প্রায় পৃথিবীর সমতুল্য।

শনির চাঁদে, এই মিথেন সমুদ্রে জীবন ধারণের রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে, যা  বহির্জাগতিকদের  জীবনধারণও সম্ভবপর করতে পারে। তবে এই সবই এখনও কল্পনার স্তরে।  

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here