বেঙ্গালুরু : ফিফথ জেনারেশন বা ৫জি মোবাইল ফোন আনার লক্ষ্যে অনেকটাই এগিয়েছে নোকিয়া। ভারতে নোকিয়ার মার্কেটিং হেড সঞ্জয় মালিক বলেন, এই উদ্দেশ্য নিয়েই গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বেঙ্গালুরুতে। ২০২০ সালের মধ্যে এই নতুন ৫জি মোবাইল পরিষেবা চালু করার লক্ষ্য নিয়েছে সংস্থা। এই কেন্দ্র ভারতী এয়ারটেল আর ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডকেও সাহায্য করবে।

এই গবেষণা কেন্দ্রে ক্লাউড কম্পিউটিং আর বিগ ডেটা সম্পর্কিত যাবতীয় গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের কাজও হবে। উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া, টেলি মেডিসিন, চালকবিহীন গাড়ি, বাড়িতে ও কর্মক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ইত্যাদির ক্ষেত্রে এই গবেষণা বিশেষ মাত্রা এনে দেবে।

তিনি বলেন, ৫জি নেটওয়ার্ক কাজের গতি বাড়াবে। ডেটা ব্যবহারেও গতি আনবে। কার্য ক্ষমতা আরও উন্নত করবে। অনেক বেশি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যাবে।

মালিক বলেন, বিশ্ব জুড়ে নোকিয়ার চারটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র আছে। তার মধ্যে একটি অবস্থিত বেঙ্গালুরুতে। এখনই এখানে প্রায় ৬ হাজার ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছেন। ২০১৮ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। তবে সংস্থা মোট কত জন কর্মী নিতে চাইছে সে ব্যাপারে খোলসা করে কিছু বলেননি তিনি।

এই প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রধান রূপা সন্তোষ বলেন, এখানে যে কাজ করা হচ্ছে তা ছড়িয়ে পড়ছে সারা বিশ্বে। বিশ্বের বাজারে এই পরিষেবা পণ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এখানে মূলত ৫জি নেটওয়ার্কের বিষয়েই জোর দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি)-র বিষয়টাও। এই বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন যন্ত্র একে অপরের সঙ্গে অত্যাধুনিক উপায়ে যুক্ত হতে পারে। এই পদ্ধতি শহরকে উন্নত করতে আর মানুষের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

এই উন্নত ব্যবস্থার একটি অন্যতম উদাহরণ হল, শহরের বিভিন্ন জায়গার কড়া নজরদারি আর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্কিং-এর ব্যবস্থা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here