Connect with us

বিজ্ঞান

প্যান এবং আধার কার্ডে তথ্য অমিল হলেও লিঙ্ক করা যায়, কী ভাবে?

টেকডেস্ক: সংশোধনী নিয়ে এসে প্যান কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর সংযুক্ত করা বাধ্যতা মূলক করেছে কেন্দ্র সরকার। কোনো কারণে যদি এই সংযুক্তিকরণ না করা হয়, তা হলে প্যান কার্ডটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এর জন্য সময়সীমা নির্ধারিত করা হয়েছে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, প্যান নম্বরের সঙ্গে আধার নম্বরের সংযুক্তিকরণের সময় দু’টি পরিচয় পত্রে ভিন্ন তথ্য থাকায় বা তথ্যের অমিল থাকায় সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে না। এই ধরনের সমস্যা বড়োসড়ো আকার ধারণ করেছে। তবে যাঁরা আয়কর জমা দেন বা ঘোষণা করেন তাঁদের এই ধরনের সমস্যা থেকে রেহাই দিতে আয়কর দফতর বিশেষ পদ্ধতি নিয়ে এসেছে।

প্যান কার্ড বাতিল হয়ে গেলে কোনো ব্যক্তির সমস্ত আর্থিক লেনদেন অবৈধ হিসাবে গণ্য করা হবে। এমন একটি পরিস্থিতিতে আয়কর দাখিলকারী ব্যক্তিদের জন্য দফতর এই বিশেষ পদ্ধতিটি চালু করেছে। তবে প্রতিটি ত্রুটির সংশোধন এই পদ্ধতিতে সম্ভব নয়। কারণ ভুয়ো প্যান কার্ড ধরার উদ্দেশ্য নিয়ে আধার সংযুক্তির পরিকল্পনা নেওয়ায় প্যানের সঙ্গে আধারের সংযুক্তিতে শুধু মাত্র বিশেষ কতকগুলি ক্ষেত্রেই সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছে। যেমন লিঙ্গ অথবা জন্ম তারিখের সমস্যা এই পদ্ধতিতে সম্ভব।

আয়কর বিভাগ এই নির্দিষ্ট সমস্যাগুলিকে কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি প্রেস রিলিজ জারি করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, প্যান এবং আধারের তথ্য অমিল দূর করতে www.incometaxindiaefiling.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে  ‘লিঙ্ক আধার’ লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। এরপর প্যান নম্বর দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, প্যান কার্ডের নম্বর দিলেও তথ্যগুলি টাইপ করবেন আধার কার্ডে উল্লেখিত তথ্য থেকেই।

প্যান এবং আধারের অমিল সংশোধন করার পদক্ষেপ:

  • প্রথমে চলে যান www.incometaxindiaefiling.gov.in -এ।
  • ‘লিঙ্ক আধার’ লিঙ্কে ক্লিক করুন।
  • প্যান নম্বর দিন।
  • আধার সংখ্যা লিখুন।
  • আধার কার্ডে উল্লিখিত নাম এবং বিস্তারিত সঠিকভাবে লিখুন টাইপ করুন।
  • ক্লিক করুন সাবমিটে।
  • ইউআইডিএআই থেকে যাচাই করার পরে, লিঙ্কিং নিশ্চিত করা হবে।

বিজ্ঞান

করোনা বাদে আর যে ৪টি সংক্রমণের ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত নেই

শুধু করোনা নয়, কয়েক বছর অথবা দশকের গবেষণার পরেও আরও বেশ কিছু সংক্রমণের ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি।

ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের উহানপ্রদেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কথা শোনা যায়। তার পর থেকে কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকমাস। সারা বিশ্বের চাহিদা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারি রুখতে এখনও পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি। তবে শুধু করোনা নয়, কয়েক বছর অথবা দশকের গবেষণার পরেও আরও বেশ কিছু সংক্রমণের ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি।

দেখে নেওয়া যাক, তেমনই চারটি সংক্রমণ-

১. এইচআইভি

ভাইরাসটির সম্পূর্ণ নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা সংক্ষেপে এইচআইবি (HIV)। এই ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্টি হওয়ার রোগটির নাম এডস (AIDS) বা অ্যাকিউয়ার্ড ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম।

১৯৮০ সালের পর থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩.৬৯ কোটি মানুষ। ভারতের মতো দেশেও এই রোগের ছড়িয়ে পড়া উদ্বেগের সৃষ্টি করে। তবে এডস প্রতিরোধে নিরন্তর প্রয়াস কিছুটা হলেও লাগাম টানতে সফল হয়। কিন্তু ভ্যাকসিন এখনও অধরা।

২. মার্স

মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (MERS)। ২০১২ সালে এই রোগটি কতকটা কোভিড-১৯-এর মতোই ছড়িয়ে পড়েছিল।

তবে এটি বেশিরভাগ সংক্রমণ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলিতে দেখা গিয়েছিল। এই রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের এটাই ছিল অন্যতম কারণ। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে এতটা সহজে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো না। এখনও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে সংক্রমণ দেখা যায়।

মজার বিষয় হল, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই এই রোগের একটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল।

৩. এনসেফালাইটিস

বক, শূকর আর বিশেষ ধরনের কিউলেক্স মশার উপস্থিতিই ছড়িয়ে যেতে পারে মারণ রোগ এনসেফেলাইটিস (Encephalitis)। প্রাথমিক ভাবে আর পাঁচটা সাধারণ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে এলেও দ্রুত এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মস্তিস্কে। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এনসেফালাইটিসে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার মানুষের।

এনসেফালাইটিসে মৃত্যু হার প্রায় ৬ শতাংশ। জাপানিজ এনসেফালাইটিস ভাইরাস (Japanese encephalitis virus) প্রতিরোধে ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত মেলেনি। ভারতের বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে এনসেফালাইটিসের প্রাদুর্ভাব বেশি। শিশু-কিশোরদের সহজেই কাবু করে দেয় এই ভাইরাস।

৪. সার্স

২০০৩ সালে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছিল সার্স (SARS) নামের এক সংক্রামক ভাইরাস। যাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং ১৭টি দেশে মৃত্যু হয়েছিল আটশোর বেশি।

সার্সের লক্ষণগুলিও কোভিডের মতোই। এবং এদের উৎপত্তি একই পরিবার থেকে। সংক্রমণটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল। বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ভ্যাকসিন তৈরির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছিলেন, গবেষণা চালিয়েছিলেন। যাইহোক, প্রাদুর্ভাবটি নিজে থেকে দূরে চলে যায় এবং কখনও ফিরে আসেনি। ফলে ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণাও স্থগিত হয়ে যায়।

Continue Reading

বিজ্ঞান

করোনাভাইরাস সুপার স্প্রেডার কী?

গত মে মাসে ঘানার একটি মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে এক কর্মী ৫০০ জনকে সংক্রামিত করেন।

ওয়েবডেস্ক: বিয়ের ঠিক দু’দিন পর মারা গিয়েছেন বিহারের পটনা থেকে ৫০ কিমি দূরে পালিগঞ্জের দেহপলিগ্রামের এক বাসিন্দা। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ‘বর’ করোনাভাইরাসে (Coronavirus) সংক্রামিত হওয়ার পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন বলে ধারণা।

গুজরাত থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ওই ব্যক্তি। তার পর বিয়ে। চলতি মাসের ই তিনি মারা যান। বিহারের এই বিয়েবাড়ির ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। বিয়েবাড়িতে অংশ নিয়েছিলেন ৩৬৯ জন আমন্ত্রিত। সরকারি হিসেবে, সোমবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯ জন। আবার তাঁদের সংস্পর্শে আসা আরও ২৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

বিহারে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনাটিই সব থেকে দুর্ভাগ্যজনক ‘সুপার স্প্রেডার’কে সামনে এনে দিয়েছে।

সুপার স্প্রেডার কী?

সুপার স্প্রেডার হলেন এমন ব্যক্তি, সাধারণত অন্য কোনো সংক্রামিত ব্যক্তির তুলনায় একাধিক ব্যক্তিকে সংক্রামিত করার সম্ভাবনা যাঁর মধ্যে বেশি।

সচরাচর কোনো কোভিড-১৯ (Covid-19) আক্রান্তের থেকে গড়ে ২-৩ জনের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদিও কোনো কোনো ব্যক্তি অথবা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সংক্রমণ ছড়ানোর হার অনেক বেশি। মহামারি বিশেষজ্ঞরা তাদেরই সুপার স্প্রেডার হিসাবে চিহ্নিত করেন।

অঙ্কটা কী রকম?

এক জন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসে সর্বাধিক কতজন সংক্রামিত হলে, তাঁকে সুপার স্প্রেডার বলা চলে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারেননি।

তবে মহামারি বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে তুলনামূলক ‘আরও’ (RO) মাপকাঠিকে ব্যবহার করেন। একজন আক্রান্তের কাছ থেকে কতজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, সেটারই একটি আনুমানিক সূচক ধরা যেতে পারে। এই আরও-র গড় ২.৫, অর্থাৎ, এক জন আক্রান্তের থেকে গড়ে আড়াই জন পর্যন্ত সংক্রামিত হতে পারেন। কিন্তু এর কোনো স্থির মাপকাঠি এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

একই ভাবে কোনো ব্যক্তির সুপার স্প্রেডার হয়ে ওঠার নেপথ্য নির্দিষ্ট কোনো কারণকেও চিহ্নিত করা হয়নি। কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণ, আইসোলেশনে পাঠানো, চিকিৎসা ইত্যাদির মাধ্যমে সুপার স্প্রেডারের (super spreader) সংখ্যা কমানো সম্ভব।

আরও কয়েকটি নমুনা

এর আগে ইতালি এবং জার্মানি থেকে ফেরত আসা বলদেব সিং সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বাড়িতে ঢুকে পড়েন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবারের ১৯ জন সদস্য করোনা আক্রান্ত হন। সরকার সংলগ্ন ২০টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে কোয়রান্টিনে পাঠায়।

গত মে মাসে ঘানার একটি মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে এক কর্মী ৫০০ জনকে সংক্রামিত করেন।

Continue Reading

বিজ্ঞান

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

ওয়েবডেস্ক: কোভিড-১৯ প্রতিরোধে এখনও পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিনই (Vaccine) অনুমোদন পায়নি। তবে একশোর উপর সংস্থার তৈরি কয়েক ডজন ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছে মানুষের শরীরে। ভারতে তৈরি একটি ভ্যাকসিনও যথেষ্ট আশার সঞ্চার করেছে। মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল নিয়েও আশাবাদী প্রস্তুতকারক সংস্থাটি।

কী এই কোভাক্সিন?

ভারতে মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যেতে চলা প্রথম করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কোভাক্সিন (Covaxin)। যেটি তৈরি করছে হায়দরাবাদ-ভিত্তিক সংস্থা ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech)।

কোন পর্যায়ে রয়েছে কোভাক্সিন?

সংস্থা দাবি করেছে, মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে কোভাক্সিনের প্রয়োগ ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (DCGI) অনুমোদন পেয়েছে।

পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভায়রোলজি থেকে সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) ভাইরাসের একটি স্ট্রেন ভারত বায়োটেকে স্থানান্তরিত হয়। সেটি থেকেই ভ্যাকসিনটি তৈরি হয়েছে। গবেষকদের দাবি, প্রাথমিক ভাবে প্রিক্লিনিকাল গবেষণায় ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে।। এরপর মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে বাকিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

সংস্থা দাবি করেছে, ডিসিজিআই, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনটির প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অনুমোদন করেছে। প্রি-ক্লিনিক্যাল গবেষণার সুরক্ষা এবং প্রতিরোধের ভ্যাকসিনটির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া উঠে আসার পরই এই ছাড়পত্র মিলেছে।

চলতি জুলাই মাসেই ভারতে কোভাক্সিনের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Human clinical trial) নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রের ইঙ্গিত

গত মঙ্গলবার  কোভিড-১৯ (Covid-19) টিকাকরণের (vaccination) প্রস্তুতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কবে কার্যকরী ভ্যাকসিন (Vaccine) আসতে পারে, সেই টিকা কী ভাবে দেওয়া যেতে পারে, ইত্যাদি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, সমস্ত ধরনের উন্নত প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম ব্যবহার করে কার্যকরী টিকাকরণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি টিকাকরণের বিষয়টি নিয়েও সময় থাকতেই যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। ইতিমধ্যেই কোভিড ভ্যাকসিন তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিতে পিএম কেয়ার্স ফান্ড (PM-CARES Fund) থেকে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য59 mins ago

অস্বস্তি থেকে স্বস্তি দিয়ে জোর বৃষ্টি কলকাতায়, চলবে আগামী কয়েক দিন

দেশ2 hours ago

‘১৫ কোটির টোপ’, বিতর্ক উসকে দিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত

দেশ2 hours ago

প্যাংগংয়ের ফিঙ্গার এলাকা থেকে সরছে চিন সেনা, উপগ্রহ চিত্রে মিলল প্রমাণ

দুর্গা পার্বণ5 hours ago

আজও ভিয়েন বসিয়ে হরেক রকম মিষ্টি তৈরি হয় চুঁচড়ার আঢ্যবাড়ির দুর্গাপুজোয়

Shaktikanta Das
দেশ7 hours ago

কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির সামনে শেষ একশো বছরের সব থেকে বড়ো সংকট: আরবিআই গভর্নর

দেশ8 hours ago

করোনার চিকিৎসায় আরও এক ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি মিলল

কলকাতা9 hours ago

সক্রিয় রোগীর নিরিখে এই মুহূর্তে কলকাতার অবস্থান কত নম্বরে?

দেশ9 hours ago

দৈনিক আক্রান্তে রেকর্ডের দিনই সুস্থতা ছাড়াল ৫ লক্ষ

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা4 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা5 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা6 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে