ওয়েবডেস্ক: বাড়ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়ণ। এই মর্মে পৃথিবীর তাপমাত্রা কমাতে একটি বিশেষ উপায় আবিষ্কার হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিকরা। এঁদের গবেষণাপত্রটি ‘এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ’ লেটার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই গোটা ব্যাপারটির জন্য মোট খরচ ৩.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি পরিচালনা করতে বছরে খরচ ২.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পদ্ধতিটি চালিয়ে যেতে হবে ১৫ বছর।

এই বিশেষ পদ্ধতিটির নাম হল স্ট্যাটোফিয়ারিক এরোসল ইনজেকশন। এর মূল বিষয় হল প্রচুর পরিমাণ সালফেট কণা। এটি আকাশে বায়ুস্তরের ওপরের দিকে স্প্রে করা হবে। এই সালফেট কণা একটা বেড়া তৈরি করবে সূর্যালোকের বিরুদ্ধে। সেই বেড়ায় ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাবে সূর্যরশ্মি। এই সালফেট কণা স্প্রে করার জন্য লাগবে বিশেষ প্রযুক্তিতে বানানো বিমান বা কামান জাতীয় কিছু।

আরও পড়ুন : আয়কর বাঁচানোর সেরা ফিক্সড ডিপোজিট, দেখে নিন কোন ব্যাঙ্কের সুদের হার কত?

এর জন্য লাগবে এক বিশেষ ধরনের বিমান, যেটি ২০ কিলোমিটার উঁচুতে উড়তে পারবে। সঙ্গে ২৫ টন ভার বহন করতে পারবে। এই কাজটি করার জন্য বিভিন্ন বিমান সংস্থা অংশগ্রহণ করেছিল। তা যাই হোক। অবশেষে এই বিশেষ বিমানটি প্রস্তুতের কাজ শেষ হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এটি ১৫ বছর কাজ করার জন্য সক্ষম। এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা যাবে।

অবশ্য তাঁরা এ কথাও বলেছেন গোটাই একটি অনুমান ভিত্তিক। এটি ঠিক হতেও পারে বা নাও। তবে ১৫ বছরের জন্য এটি করলে আশা করা যায় কাজ হবে। কারণ জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং তত্ত্ব বলছে এটি কাজ করতে বাধ্য।

গবেষকরা রিপোর্টে এ কথাও বলেছেন, এর উলটো ফল হতে পারে। মানে খরা বা শস্যহানি, মানুষের অন্য কোনো রকম সমস্যা বা অন্য কিছুও। অথবা উষ্ণায়ণের মূল বিষয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাসও করতে পারল না।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন