স্টকহলম : এ বার হাইস্পিড ক্যামেরার সেকেন্ডে ১ লাখ ছবি তোলার ক্ষমতার কথা ভুলে যেতে হবে। আবিষ্কার হয়ে গেল সেকেন্ডে পাঁচ ট্রিলিয়ন ছবি তোলার ক্ষমতা সম্পন্ন অত্যাধুনিক ক্যামেরা। এই ক্যামেরা আবিষ্কারের পেছনে রয়েছে সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষকের হাত।

গবেষক এলিয়াস ক্রিস্টেনসন বলেন, এটি বিশ্বের দ্রুততম ফিল্ম ক্যামেরা। শুধু তাই নয়, এই ফিল্ম ক্যামেরা আবিষ্কারের ফলে স্টিল বা স্থির ছবিতে আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট ভাবে বিষয়ের বিভিন্ন কোণ অর্থাৎ অ্যাঙ্গেল ধরা সম্ভব হবে। এর থেকে পরবর্তী ক্ষেত্রে একটি চলমান ছবি বা মুভিও বানানো সম্ভব হবে। সর্বত্রই চলচ্চিত্র বানানোর জন্য অনেক বড়ো ও জটিল পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। এতে সেই জটিলতা কমবে।  দ্রুতগতিতে ঘটে চলা রসায়ন এবং পদার্থবিদ্যার নানা বিষয়ে চিত্রগ্রহণ সহজসাধ্য হবে।

কী ভাবে কাজ করে এই ক্যামেরা?

গবেষকরা প্রযুক্তিটির নাম দিয়েছেন ‘ফ্রেম’। অর্থাৎ ফ্রিকোয়েন্সি রেকগনিশন অ্যালগরিদম ফর মাল্টিপল এক্সপোজার্স (এফআরএএমই), মানে একাধিক ছবি তোলার একাধিক গাণিতিক পদ্ধতি। গবেষকরা এতে একটি বিশেষ ধরনের ‘কোডেড ফ্ল্যাশ লাইট’ বা ‘লেজার ফ্ল্যাশ’ ব্যবহার করেছেন। এতে ছবি তোলার সময় প্রতিবারই একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় আর তার শিখা বিষয়টির ওপর প’ড়ে একটি সংকেত তৈরি করে। আর সেই সাংকেতিক গণনাতেই ছবি তৈরি হয়। একাধিক ফ্ল্যাশ আলাদা আলাদা সংকেত তৈরি করে। প্রত্যেকটা সংকেত একত্রিত হয়ে একটিই ছবি তৈরি হয়।

 

জার্মানির একটি সংস্থা ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তির একটা প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে। এই ক্যামেরা মানুষের হাতে এসে পৌঁছতে এখনও দু’ বছর লাগতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here