করোনাভাইরাস সংক্রমণে র‍্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কী?

rapid antibody test
প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) সম্প্রতি দেশের ‘হটস্পট’ এলাকাগুলিতে কোভিড -১৯ (Covid-19)-এর নির্ণয়ে দ্রুত অ্যান্টিবডি (rapid antibody) পরীক্ষার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন পরামর্শ দিয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতায় (immune system) কোভিড -১৯ রয়েছে, না কি এটির হাত থেকে নিজেকে পুনরুদ্ধার করেছে, তা শনাক্ত করতে এই র‍্যাপিড অ্যান্টিবডি পরীক্ষা ব্যবহার করা যেতে পারে। পরীক্ষাটি ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে করোনাভাইরাসের অতীত বা বর্তমান সংস্পর্শের প্রমাণ শনাক্ত করতে পারে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম কার্যকর সরঞ্জাম হতে পারে কোভিড-১৯ নির্ণয়ের জন্য এই দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষা। বর্তমানে, কোভিড-১৯ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষা পদ্ধতিগুলির কোনো কোনোটায় ফলাফল হাতে পেতে ২-৩ দিনের বেশি সময় লেগে যায়।

বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে হালকা বা মাঝারি উপসর্গ হিসাবে জ্বর এবং সর্দি-কাশি সৃষ্টি হয়। তবে অন্যদের ক্ষেত্রে, বিশেষত বয়স্ক এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের এটার সংক্রমণে নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

প্রথাগত পরীক্ষাপদ্ধতিতে করোনাভাইরাসের জিনোমিক ক্রম রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে কোনো ব্যক্তির শ্লেষ্মা এবং লালারসের নমুনাগুলি পরীক্ষা করা হয়। এ ধরনের পদ্ধতির ফলাফল হাতে পেতে ২৪-৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তার পরই জানা যায়, রোগীর শরীরে কোনো সক্রিয় সংক্রমণ রয়েছে না কি নেই।

আরও পড়ুন: মাত্র ৫ মিনিটেই হাতে মিলবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল!

সেখানে দ্রুত অ্যান্টিবডি টেস্টে (যা সেরোলজিক্যাল টেস্ট নামে পরিচিত) রক্তে ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। সময় লাগে ১০-১৫ মিনিট। যদিও এটি কোনো নিশ্চিত ফলাফল হিসাবে বিবেচিত হয় না। তবে এই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রাক-স্ক্রিনিং পরীক্ষা হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.