তীরে এসে তরী ডুবল। মাত্র ০.১ পয়েন্টের ব্যবধানে অভিনব বিন্দ্রা ব্রোঞ্জ পদক পেলেন না। শুটিং-এর ১০মি এয়ার রাইফেল বিভাগে কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে সপ্তম হয়ে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিলেন ২০০৮-এর বেজিং অলিম্পিকের সোনাজয়ী। রিও অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন অভিনব।  

পারলেন না গগন নারাং-ও। গত লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী এ বার কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডেই ছিটকে গেলেন। শুটিং-এর ১০মি এয়ার রাইফেল বিভাগে ৫০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে তাঁর স্থান ২৩। তবে নারাং শুটিং-এর আরও দু’টি বিভাগে লড়ছেন – ৫০মি রাইফেল প্রোন এবং ৫০মি রাইফেল থ্রি পজিশন।

শুটিং-এর পুরুষ বিভাগে ট্র্যাপ ইভেন্টে মানবজিৎ সাঁধু ও কিনান চেনাই যথাক্রমে ১৬তম ও ১৯তম স্থান পেয়ে রিও অলিম্পিক থেকে বিদায় নিয়েছেন।

মহিলাদের তিরন্দাজিতে লক্ষ্মীরানি মাঝিরও রিও-অভিযান শেষ হল। ‘রাউন্ড অব সিক্সটিফোর’-এ স্লোভাকিয়ার আলেক্সান্দ্রা লংভার কাছে হেরে গেলেন তিনি।  

সাঁতারে পুরুষদের ২০০ মিটার বাটারফ্লাই বিভাগে সজন প্রকাশ নিজের হিটে চতুর্থ হলেও চারটি হিটের মোট ২৯ জন সাঁতারুর মধ্যে ২৮তম স্থান পেয়ে সেমি ফাইনালে যেতে ব্যর্থ হয়েছেন। একই রকম হতাশার খবর মহিলা সাঁতারু শিবানী কাটারিয়ারও। ২০০ মিটার বাটারফ্লাই বিভাগে নিজের হিটে দ্বিতীয় হলেও ছ’টি হিটের মোট ৪৩ জন সাঁতারুর মধ্যে ৪১তম স্থান পেয়ে সেমি ফাইনালে যেতে ব্যর্থ।

পুরুষদের হকি দল গত বারের সোনাজয়ী জার্মানির কাছে হেরে গেল ১-২ গোলে। খেলা শেষ হওয়ার ৩ সেকেন্ড আগে জার্মানির জয়সূচক গোলটি হয়।      

   

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here