ওয়েবডেস্ক:ফ্রান্সের উত্তরপশ্চিমের উশান্ত দ্বীপ এবং ইংল্যান্ডের দক্ষিণপশ্চিমের লিজার্ড পয়েন্টের মাঝে ঠিক করা হয়েছিল কাল্পনিক সীমারেখা। সেখানেই তাঁর অত্যাধুনিক ম্যাক্সি ট্রিমারন নৌকোটি নিয়ে রবিবার ভোরে পৌঁছলেন ফ্রান্সের ফাঙ্কো গাবার্ত। ব্যস! শেষ হল তাঁর পৃথিবী প্রদক্ষিণ। হয়ে গেল বিশ্বরেকর্ড।

বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক জুলে ভার্নে সেই ১৮৭৩ সালে লিখেছিলেন তাঁর অ্যাডভেঞ্চার ক্লাসিক ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেজ’। সেটা ছিল যন্ত্র সভ্যতাকে উদ্‌যাপনের দিন। সেই বইতেও নানা যানবাহন ব্যবহারের কথা বলা হয়েছিল। তারপর পৃথিবী এগিয়ে গেছে বহুদূর। উড়োজাহাজ কিংবা বুলেট ট্রেনের দুনিয়ায় ৮০ দিনটা আর আলোচনাতেও আসা সম্ভব নয়। কিন্তু যদি পুরো যাত্রাটাই হয় জলপথে?

হ্যাঁ। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালে। ফরাসি নাবিক ফ্রান্সিস জয়ন ৭২ দিন ২২ ঘণ্টায় জলপথে দুনিয়া ঘুরেছিলেন। তারপর তাঁর রেকর্ড ভাঙেন ২ জন। ২০১৬ সালে ফরাসি নাবিক কোহেলি ৪৯ দিন ৩ ঘণ্টায় দুনিয়া ঘুরে রেকর্ড দখলে নেন। তাঁর রেকর্ডটাই এদিন ভাঙলেন ৩৪ বছর বয়সি, দুই সন্তানের পিতা গার্বা। জলপথে পৃথিবী ঘোরা শেষ করলেন মাত্র ৪২ দিন ১৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট  ৩৫ সেকেন্ড।

পেরোলেন ১৫৭৬ কিলোমিটার জলপথ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here