jyotishka biswas cyclist
শেষ প্রান্তের গ্রামে জ্যোতিষ্ক।

ওয়েবডেস্ক: পর্যটক অনেকেই যান, কিন্তু আজ পর্যন্ত সাইকেল নিয়ে কেউ সেখানে যাননি বলে তাঁর দাবি। নিজের সাইকেলের ওপরে ভরসা করে সেখানেই পা রাখলেন বাংলার জ্যোতিষ্ক বিশ্বাস। এখন তাঁর আশা, তাঁর এই বিরল কৃতিত্ব যদি রেকর্ড বইয়ে ঠাঁই পায়।

যে গ্রামটির কথা বলা হচ্ছে তার নাম থাং। ভারতের সব থেকে উত্তরপ্রান্তের গ্রাম এটি। এই গ্রাম থেকে কিছুটা এগোলেই নিয়ন্ত্রণরেখা এবং তার ও-পারেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গ্রাম স্রাওনো।

যাত্রা শুরু করার আগে গুলমার্গে।

আরও পড়ুন আরও লজ্জা! বৃষ্টি কি পারবে ভারতকে বাঁচাতে?

আসলে জ্যোতিষ্ক নিজের সাইকেলের ভরসায় বেরিয়ে পড়েছেন ট্রান্স হিমালয়ান করতে। গত ২০ মে, কলকাতা থেকে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আসল সফর শুরু হয়েছিল ২৬ জুন। এই মুহূর্তে মানালি রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “২৬ তারিখ গুলমার্গ থেকে ট্রান্স হিমালয়ান যাত্রা শুরু করি।” তার পর কিছু দিনের মধ্যে খারদুংলা পাস পেরিয়ে আরও ১৭০ কিমি উত্তরপশ্চিমে থাং-এ পৌঁছে যান তিনি।

তবে সফর এখনও শেষ হয়নি তাঁর, বলা যেতে পারে সবে শুরু। জোজিলা, খারদুংলা, টানলাংলা, রোহটাং পাস-সহ এখনও পর্যন্ত মোট ৯টা পাস অতিক্রম করেছেন তিনি। এর পরে তাঁর যাত্রা হবে পূর্বমুখী। উত্তরাখণ্ড হয়ে ঢুকে যাবেন নেপাল, তার পর সিকিম হয়ে পৌঁছে যাবেন অরুণাচলের পূর্বাংশের গ্রাম রোয়িং-এ, এমনই আশা তাঁর।

—আরও কত দিন লাগবে এই সফর শেষ করতে?

—“এখন তো বর্ষাকাল। ধীরে ধীরে যেতে হবে। তা-ও আরও ৭০-৮০ দিন তো লাগবেই।” জবাব আসে তাঁর। তবে এখন তাঁর একটাই আশা, “প্রথম সাইক্লিস্ট হিসেবে ভারতের উত্তরপ্রান্তের গ্রামে পৌঁছোনোর এই রেকর্ডটা যদি কোথাও ঠাঁই পায় তা হলে ভালো হয়।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন