supratim and falguni at the top
ইউনাম শৃঙ্গে সুপ্রতিম ও ফাল্গুনী। নিজস্ব চিত্র।
papiya mitra
পাপিয়া মিত্র

নগাধিরাজকে চিনতে আবার বেরিয়ে পড়া। যাওয়া-আসা, দু’পথেই মৃত্যুভয়। তবুও পাহাড়প্রেমী মানুষ বারবার পৌঁছে গিয়েছেন হিমালয়ের বুকে। আসলে হিমালয়ে অভিযান চালানো মানে পাহাড়রাজকে পদানত করা নয়, আসল কাজ আরও একবার নতুন করে চেনা। তাই এই চেনার পথে পা বাড়িয়ে ‘শিখর মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব’ ৩৭ বছর ধরে ৪৩টি অভিযান করেছে।

সম্প্রতি শিখর মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব-এর অভিযানটি ছিল হিমাচল হিমালয়ের ইউনাম শৃঙ্গ (৬১১৮ মিটার)। ২৭ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় ইউনাম শৃঙ্গে জাতীয় পতাকা ও ক্লাবের পতাকা ওড়ান সুপ্রতিম মজুমদার, ফাল্গুনী ঘোষ ও পীতাম্বর লাল। সঙ্গে ছিলেন দুই শেরপা নামগিয়াল নেগি ও শের সিং।

at the base camp
বেস ক্যাম্পে সবাই। নিজস্ব চিত্র।

গোপাল দাসের নেতৃত্বে ন’ জনের দলটি হাওড়া থেকে রওনা দিয়েছিল ১৯ আগস্ট। বেস ক্যাম্প ছিল ভরতপুর (৪৮০০ মিটার)। আসা যাওয়া নিয়ে ৬ দিন থাকা সেখানে। সামিট করতে পাহাড়িপথে হাঁটা শুরু ২৭ আগস্ট ভোর সাড়ে চারটেয়। ইউনাম শৃঙ্গ জয় করতে সময় লেগেছে ৭ ঘণ্টা। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সঙ্গী ছিল তীব্র ঝোড়ো হাওয়া। পথ ছিল তীব্র চড়াই আর ঝুরো পাথরে ভরা।

বেস ক্যাম্পে ছিলেন গোপাল দাস, কাজল দে, লালমোহন রায়, সোমনাথ শিকদার, রণদীপ মণ্ডল, অজয় কর্মকার ও মিতা ঘোষ। শৃঙ্গ জয়ের পথে হাঁটা দিলেও পথে অসুস্থ হয়ে পড়ায় মিতাকে নামিয়ে নিয়ে আসা হয়। ৭ ঘণ্টার পথে মনের লড়াইয়ের জয়ের পতাকা তুলে চলেছে ৩৭ বছর ধরে শিখর মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব।

supratim and pitambar at the top
ইউনাম শৃঙ্গে সুপ্রতিম ও পীতাম্বর। নিজস্ব চিত্র।

শিখরের কাহিনি শিখর থেকে শিখরে ওঠার কাহিনি। অতীতের পাতায় আছে গাড়োয়াল হিমালয়ের শ্রীকৈলাশ, স্বর্গারোহিণী ৪, কামেট, আবি গামিন, পূর্ব হিমালয়ের রাতোং, লাডাকের গুলাপ কাংরি, শিবশৃঙ্গ, কাংলা টারবো, চন্দ্রভাগা ১২ সহ আরও অনেক। শিখর সংস্থাটি খুব অপরিচিত নাম নয় অন্তত কলকাতা শহরের কাছে। অথচ আজও কোনো আর্থিক সাহায্যের হাত সেই ভাবে এগিয়ে আসেনি, পথে খাওয়াদাওয়া ও পাহাড়ি সরঞ্জাম কেনার জন্য।

1 মন্তব্য

  1. Congratulations my friend.wish you all the best. আরো এগিয়ে যাও বন্ধু সেই কামনা রইলো।আর ঈস্বরের কাছে প্রার্থনা তোমরা সকলে সুস্থ্য শরীরে ,জয় করে ফিরে এসো।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন