উইম্বলডন:নাদালের হারের পর ৪৮ ঘণ্টাও কাটল না, ফের অঘটন উইম্বলডনে। এবার একসঙ্গে একজোড়া।

ভেঙে গেল ব্রিটিশ স্বপ্ন। গতবারের চ্যাম্পিয়ন, এবারের শীর্ষ বাছাই, বিশ্বের ১ নম্বর অ্যান্ডি মারে হেরে গেলেন। অন্যদিকে টমাস বেডরিচের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনাল চলার পথেই চোটের জন্য ম্যাচ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন নোভাক জকোভিচ। অতএব ‘বিগ ফোর’-এর মধ্যে আপাতত উইম্বলডনে রয়ে গেলেন ১ জন। রজার ফেডেরার। এদিন রাওনিককে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে অষ্টম উইম্বলডনের লক্ষ্যে আরও এক কদম এগোলেন ফেডেক্স। সেমিফাইনালে ফেডেরারের মুখোমুখি হবেন বেডরিচ। অন্য সেমিফাইনালে খেলবেন প্রায় অচেনা স্যাম কোয়েরে ও প্রাক্তন যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ী মারিন কিলিক।

আরও পড়ুন: দীর্ঘ টেনিস ম্যাচের ইতিহাসে নেহাতই বামন নাদালের বিদায়-ম্যাচ

৬ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা বিশ্বের ২৭ নম্বর স্যাম কোয়েরে এদিন মারেকে হারালেন ৩-৬, ৬-৪, ৬-৭(৪-৭), ৬-১, ৬-১ সেটে। শেষ দুটি সেটে তিনি কার্যত উড়িয়ে দিলেন গতবারের চ্যাম্পিয়নকে। তবে এবারই প্রথম নয়। আগের বছরের চ্যাম্পিয়নকে উইম্বলডনে হারানোর কাজটা এই মার্কিন খেলোয়াড় গতবারও করেছিলেন। সেবার ২০১৫ সালের চ্যাম্পিয়ন জকোভিচকে তৃতীয় রাউন্ডে হারান তিনি। অথচ এর আগে মারের বিরুদ্ধে ৮ বার খেলে খেলে ৭বারই স্যাম স্ট্রেট সেটে হেরেছেন।

আগের ম্যাচ চলাকালীনই চিকিৎসককে ডেকেছিলেন জকোভিচ। দু’বার টাইমআউট নিয়েছিলেন। কাঁধের চোট ভোগাচ্ছিল তাঁকে। সেদিন স্ট্রেট সেটে জিতলেও এদিন পারলেন না। বেডরিচের বিরুদ্ধে প্রথম সেটটা হেরেছিলেন ৬-৭(২-৭) ফলে। ওই সেটের শেষ দিক থেকেই সার্ভিস করতে সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। দ্বিতীয় সেটে ০-২ পিছিয়ে পড়ার পর আর টানতে পারলেন না। ম্যাচ ছাড়লেন। ৩ বারের চ্যাম্পিয়ন বিদায় নিলেন উইম্বলডন থেকে। সময়টা সত্যিই খারাপ যাচ্ছে জোকারের।

অন্যদিকে ম্যারাথন ম্যাচে নাদালকে হারিয়ে হইচই ফেলে দেওয়া জাইলস মুলার এদিন বিদায় নিলেন উইম্বলডন থেকে। ২০১৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ী ক্রোয়েশিয়ার মারিন কিলিক এদিন মুলারকে হারালেন ৩-৬, ৭-৬, ৭-৫, ৫-৭, ৬-১ সেটে। আরও একটা মহাকাব্যিক লড়াই লড়লেন মুলার। কিন্তু এবার পরাজিত হলেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন