গল: ৫৫০ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ২৪৫ রানেই আটকে গেল শ্রীলঙ্কা। প্রথম টেস্টে ভারত জয় ছিনিয়ে নিল ৩০৪ রানে। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে নায়ক অশ্বিন ও জাডেজা। দুজনেরই সংগ্রহ ৩টি করে উইকেট। মৃদু লড়াই চালিয়েছিলেন করুণারত্নে ও ডিকওয়ালা। মাত্র ৩ রানের জন্য শতরানে বঞ্চিত হন করুণারত্নে। ডিকওয়ালা আউট হন ৬৭ রানে।

শ্রীলঙ্কার ইনিংস শুরু করে করুণারত্নে ও থরঙ্গ। কিন্তু উইকেটে একটু থিতু হয়ে বসতে না বসতেই প্রথম ঝটকা মহম্মদ শামির বলে। একটা বল আগেই শামির বলে দ্বিতীয় স্লিপে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান থরঙ্গ। কিন্তু এক বল পরেই শামির বলে বোল্ড হন থরঙ্গ। শ্রীলঙ্কা প্রথম উইকেট হারায় ২২ রানে। ৭ রান যোগ হওয়ার পর আউট হন গুণতিলক। উমেশ যাদবের বলে স্কোয়ার লেগে পুজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ইনিংসের হাল ফেরাতে করুণারত্নেকে যথাযথ সঙ্গ দিতে থাকেন মেন্ডিজ। ঠিক যে সময়ে মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কা বিপদ থেকে বেরিয়ে আসতে চলেছে ঠিক সে সময়ে আঘাত হানেন রবীন্দ্র জাডেজা। নিজস্ব ৩৬ রানে জাডেজার বল সামলাতে না পেরে ঋদ্ধিমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মেন্ডিজ। দলের স্কোরে আরও ৮ রান যোগ হওয়ার পর অধিনায়ক ম্যাথিউজ নিজের মাত্র ২ রানের মাথায় জাডেজার বলে ফিরে যান। আবার গাড্ডায় পড়ে শ্রীলঙ্কা। দলের স্কোর তখন ৪ উইকেটে ১১৬। করুণারত্নের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ডিকওয়ালা। গোড়ার দিকে ডিকওয়ালাকে একটু নড়বড়ে মনে হলেও ধীরে ধীরে থিতু হন। দলকে বিপদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু করুণারত্নে-ডিকওয়ালার জুটিতে ১০১ রান যোগ হওয়ার পর অশ্বিনের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ডিকওয়ালা নিজস্ব ৬৭৮ রানে। দলের রান ৫ উইকেটে ২১৭। তার পর দলের ২৪০ রানে করুণারত্নে ফিরে যেতেই শ্রীলঙ্কার বাকি চার উইকেট মাত্র ৫ রানের মধ্যে পড়ে যায়।

এর আগে ভারত আগের দিনের ৩ উইকেটে ১৮৯ রান হাতে দিয়ে এ দিনের খেলা শুরু করে। ঝোড়ো ব্যাটিং করে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও অজিঙ্ক রাহানে মাত্র ৬.৩ ওভারে দলকে পৌঁছে দেন ২৪০-এ। এরই মধ্যে কোহলি কাজের কাজটি করে ফেলেন – টেস্টে তাঁর ১৭তম সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হিসাবে তাঁর দশম শতরান। কোহলি  আজ শুরু করেছিলেন ৭৬ রানে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১০৩ রানে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর এই প্রথম উল্লেখযোগ্য রান পেলেন কোহলি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন