একজন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সঙ্গে খেলেছেন পর্তুগালের জার্সিতে। আতলেতিকো দে কলকাতার মার্কি ফুটবলার। গত মরশুমে প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করলেও পড়েছিলেন চোটের কবলে। তাই গোটা মরশুমে আর তার সার্ভিস পায়নি কলকাতা শিবির। দিয়েগো ফোরলানের সঙ্গে কথাবার্তা এগিয়েও বিশাল অঙ্কের চাহিদার জেরে পিছিয়ে এসে ফের ‘এইচপি’-কেই মার্কি করেছে এটিকে।

যুবভারতীতে ‘ফাটাফাটি ফুটবল’ উপহার দিতে পারেননি। নতুন হোম গ্রাউন্ড রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে তাই ‘বুকের মাঝে এটিকে’ প্রমাণে মরিয়া পোস্তিগা। দলের সঙ্গে কলকাতায় ফিরে নতুন থিম সংয়ের উদ্বোধনে এসে সেই কথাই বলে গেলেন তিনি। গত পাঁচ মাস পর্তুগিজ দলের হয়ে খেলেছেন। মাদ্রিদে একমাসের আবাসিক শিবিরের পরে এখন অনেকটাই তরতাজা। নিজের জাত চেনানোর পাশাপাশি কলকাতার সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোটাই এখন তাঁর কাছে অগ্রাধিকার। আর সেই পথে হাঁটতে সবথেকে বেশি ভরসা তিনি করছেন কলকাতার অপর বিদেশি ইয়ান হিউমের উপরে।

আইএসএলের দুই মরশুমে একবার কেরালার হলুদ ও একবার এটিকের লাল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমেছেন। দুবারই নিজেকে প্রমাণ করেছেন হিউম। পোস্তিগার অনুপস্থিতিতে দলে গোল করার মুখ্য লোক হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু মূলত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার তিনি। আক্রমণ তৈরির নেশাটাই তাঁকে বেশি বুঁদ করে। তাই পোস্তিগা স্ট্রাইকারে খেললে তার ঠিক নীচে থেকে বল বাড়ানোর দায়িত্বটা নিতে চান হিউম। গোল করা ও করানো দুই ভূমিকাতেই কোচ হোসে মোলিনার ট্রাম্পকার্ড তিনি। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে কোচ পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কোনো অসুবিধা হবে না বলেই দাবি এই কানাডিয়ানের। আসলে অধরা মাধুরী আইএসএল ট্রফির স্বাদটা যে এটিকের জোড়া ফলা পোস্তিগা-হিউমের কেউই পাননি। তাই এবার নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে তাঁরা।

তবে প্রশিক্ষক মোলিনার আসল মাথাব্যাথার কারণ দলের বোঝাপড়া তৈরি। একাধিক বাঙালি ফুটবলার কলকাতা লিগ চলায় যোগ দিতে পারেননি আবাসিক শিবিরে। বেশ কিছু বাঙালি ও বিদেশি ফুটবলারই ছিলেন মাদ্রিদের শিবিরে। তাই এখনও প্রথম একাদশ প্রস্তুত নয় এটিকের। প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে ১ অক্টোবর। হাতে আর দিন ছয়েক। তাই দলের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটাই চ্যালেঞ্জ অর্ণব-প্রবীরদের কাছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here