অস্ট্রেলিয়া ৩০০ (স্মিথ ১১১, ওয়েড ৫৭, কুলদীপ ৪-৬৮)

ভারত 0-0

ধরমশালা: দিনের প্রথম সেশনটা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু লাঞ্চের পরেই ভেল্কি দেখানো শুরু কুলদীপ যাদবের। তাঁর এবং বাকি বোলারদের দাপটে মাত্র তিনশো রানেই আটকে গেল অস্ট্রেলিয়া।

কুলদীপের স্বপ্নের অভিষেকের দিনে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়ে ফেললেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। বিদেশি অধিনায়ক হিসেবে ভারতের মাটিতে একটা সিরিজে সর্বোচ্চ শতরানের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে চলে গেলেন তিনি। এই সিরিজে তাঁর শতরানের সংখ্যা তিন। ২০১২-এ ভারত সফরে সমসংখ্যক শতরান করেছিলেন তৎকালীন ইংল্যান্ড অধিনায়ক অ্যালেস্টার কুক। টেস্টে ২০টি সেঞ্চুরি হয়ে গেল স্মিথের।

ধৌলাধারের তুষারাবৃত পাহাড়শ্রেণিকে সাক্ষী রেখে আরও একবার টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। সবুজ পিচের ভ্রূক্রুটি সরিয়ে পাটা উইকেটে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় তারা। শুরুতে রেনশর উইকেট পেলেও, ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্মিথের সুবাদে ম্যাচ থেকে প্রায় বেরিয়েই যেতে বসেছিল অজিঙ্ক রাহানের ভারত। কিন্তু কুলদীপের বলে ওয়ার্নার ফিরে যেতেই ভাঙন ধরে অজি ব্যাটিং-এ। অশ্বিনের বলে স্মিথ যখন প্যাভিলিয়নের পথ দেখেন দলের স্কোর তখন ছ’য় উইকেটে ২০৮। এখান থেকে ওয়েড ম্যাচ না ধরলে আরও কম রানে শেষ হয়ে যেত তারা।

ব্যাট এবং বল, দুটো বিভাগকেই সাহায্য করল ধরমশালার প্রথম দিনের পিচ। উইকেটে এমন কোনো জুজু নেই, যা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আটকে দিতে পারে। ভালো ব্যাট করলে দ্বিতীয় দিনেই অস্ট্রেলিয়ার স্কোর পেরিয়ে যেতে পারে ভারত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here