অস্ট্রেলিয়া: প্রথম ইনিংস ৪৫১

ভারত: প্রথম ইনিংস ৩৬০-৬ (পুজারা ১৩০ ব্যাটিং, বিজয় ৮২)

রাঁচি: ব্যাট করলেন টানা ছ’ঘন্টা, খেললেন তিনশোটি বল, রান করলেন ১২০। সংক্ষেপে বলতে গেল এই হল চেতেশ্বর পুজারার ইনিংস। যে অসম্ভব ধৈর্য দেখিয়ে তৃতীয় দিনের পরও অপরাজিত থাকলেন পুজারা, তাতে কিছু দিনের মধ্যেই রাহুল দ্রাবিড় খ্যাত ‘দ্য ওয়াল’ তকমাটি যদি পুজারার পিঠে লেগে যায়, অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। দিনের শেষে ভারতের স্কোর

ভারত বা অস্ট্রেলিয়া, তৃতীয় দিনের শেষে কেউই খুব একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে না। একদিকে ভারতের পাঁচটার বেশি উইকেট তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া, তেমনই ভারত রানও করেছে মাত্র ২৪০। কিন্তু এ দিন যে ভাবে জ্বলে উঠেছিলেন ছ’বছর পর প্রত্যাবর্তন ঘটানো প্যাট কামিন্স, তাতে ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়তে পারত। দ্বিতীয় দিন শেষ লগ্নে তিনি ফিরিয়েছিলেন কেএল রাহুলকে। এ দিন তাঁর বোলিং-এর শিকার কোহলি, রাহানে এবং অশ্বিন। অন্য দিকে তাঁকে যোগ্য সংগত দিচ্ছিলেন অপর পেসার হেজেলউড। কামিন্সের এই ঝড় সামলে এক দিকে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন চেতেশ্বর। দিনের শেষে তিনটে চার সহযোগে আঠারো রান করে ছন্দে থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছেন ঋদ্ধিমান। পুজারা এবং ঋদ্ধির অপর এখন ভরসা ভারতের ক্রিকেটমোদীদের।

প্রথম ইনিংসে লিড পেয়ে গেলে ম্যাচে অনেকটা সুবিধা পেয়ে যাবে ভারত।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন