ashes

ইংল্যান্ড ১৯৬-৪ (ভিঞ্চ ৮৩, স্টোনম্যান ৫৩, কামিন্স ২/৫৯)

ব্রিসবেন: নতুন দল, নতুন অধিনায়ক, ক্রিকেট আরও আধুনিক, কিন্তু দ্বৈরথের মাত্রা ১৩০ বছর আগে যে রকম ছিল, এখনও সে রকম রয়ে গিয়েছে। আরও এক স্মরণীয় দ্বৈরথের ইঙ্গিত দিয়ে শুরু হয়ে গেল অ্যাসেজ সিরিজ। প্রথম দিনের সারমর্ম হল অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে দিয়েও দিনের শেষে অস্বস্তিতে ইংল্যান্ড শিবির।

ব্রিসবেনে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের সিংহভাগ অংশেই অজি বোলারদের শাসন করলেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। মাঝখানে চা বিরতির পরেই স্মিথবাহিনীর বোলারদের দাপটে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে সেই চাপ ক্রমশ কাটিয়ে উঠছে তারা।

গত ২৯ বছরে ব্রিসবেনের গাব্বা স্টেডিয়ামে টেস্ট না হারার রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। সেই রেকর্ড উলটে দিতে নতুন ভাবে ঝাঁপিয়েছে জো রুটের নেতৃত্বাধীন নতুন ভাবে তৈরি হওয়া ইংল্যান্ড দল। বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ টসটিও জিতে নেন রুট।

শুরুতেই আলেস্টার কুককে হারালেও দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে ইংল্যান্ড। সৌজন্যে দুই নবাগত ব্যাটসম্যান জেম্‌স ভিঞ্চ এবং মার্ক স্টোনম্যান। তৃতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের মধ্যে তৈরি হওয়া ১২৫ রানের জুটির সুবাদে বৃষ্টিবিঘিন্ত প্রথম দিনের প্রথম দু’টি সেশনে অস্ট্রেলিয়ার ঘাড়ে চেপে বসে ইংল্যান্ড। কিন্তু চা-বিরতির পরেই প্রত্যাবর্তন ঘটায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে স্টোনম্যানকে ফেরান কামিন্স, তার পর শতরানের কাছাকাছি থাকা ভিঞ্চ হয়ে যান রান আউট। কিছুক্ষণ পরে ফিরে যান ইংল্যান্ড অধিনায়ক রুটও। ১৬৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে তখন চাপের মধ্যে পড়া শুরু করেছে ইংল্যান্ড।

তবে দিনের শেষে বাধা প্রতিকূলতা কাটিয়ে দলের চাপ কিছুটা মুক্ত করতে সাহায্য করেছেন ডেউইড মালান এবং মঈন আলি। দ্বিতীয় দিন,অস্ট্রেলিয়ার ওপরে ইংল্যান্ড কতটা রানের বোঝা চাপাতে পারে সেটাই দেখার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here