করোনাভাইরাস অতিমারির জের, ২০২১-এর জুন পর্যন্ত এশিয়া কাপ স্থগিত

0

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণের জেরে স্থগিত হয়ে গেল এশিয়া কাপ (Asia Cup)। ২০২১-এর জুন মাস পর্যন্ত এই টুর্নামেন্ট স্থগিত করে দিল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি, Asian Cricket Council, ACC)।

এশিয়া কাপ স্থগিত হয়ে যাওয়ার ফলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল, IPL) অনুষ্ঠিত হওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হল বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল। করোনার জেরে টি২০ বিশ্ব কাপও পিছিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন ফ্র্যানচাইজি-ভিত্তিক আইপিএল-এর সংগঠকরা সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে এই টুর্নামেন্ট করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।

বুধবারই বিসিসিআই (BCCI) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি (Sourav Ganguly) এ বছরের এশীয় টুর্নামেন্ট বাতিল করে দেওয়ার কথা জানান। যদিও এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার অধিকার ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB)। সৌরভের ঘোষণার এক দিন পরেই এ বছরের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে বাতিল হয়ে গেল এশিয়া কাপ।

টি২০ বিশ্ব কাপ এ বছর অক্টোবর-নভেম্বরে হওয়ার কথা। এশিয়া কাপ এক বছর পিছিয়ে যাওয়ার পরে আইসিসিও (ICC) সম্ভবত এই টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেবে।

Shyamsundar

কী বলেছে এসিসি

এসিসি বৃহস্পতিবার টুইট করে বলেছে, “কোভিড ১৯ (Covid 19) অতিমারির প্রভাব অনুধাবন করে এবং সব দিক ভালো করে বিবেচনা করার পরে এসিসি-র একজিকিউটিভ বোর্ড ২০২০-এর সেপ্টেম্বরে যে এশিয়া কাপ টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল তা স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত করেছে।”

এক বিবৃতিতে এসিসি বলেছে, “এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টের উপর কোভিড ১৯ অতিমারির কী প্রভাব পড়তে পারে তা মূল্যায়ন করার জন্য এসিসি-র একজিকিউটিভ বোর্ড বহু বার বসেছে।”

এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে ঝুঁকি থাকবে, তা কখনোই উপেক্ষা করতে পারেনি এসিসি বোর্ড। উল্লেখ্য, বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এবং সেক্রেটারি জয় শাহ এসিসি বোর্ডের সদস্য।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে গোড়া থেকেই আগ্রহী ছিল বোর্ড। কিন্তু ভ্রমণ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা, কোয়ারান্টাইন সংক্রান্ত বিভিন্ন দেশের নিয়মবিধি, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি এবং শারীরিক দূরত্বের বিধি এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।”

“আর সর্বোপরি যোগদানকারী খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, বাণিজ্যিক অংশীদার, ক্রিকেটভক্ত এবং সামগ্রিক ভাবে ক্রিকেট সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ”, বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

এশিয়া কাপ ২০২০-এর আয়োজন করার অধিকার ছিল পাকিস্তানের। নিরাপত্তার কারণে পাকিস্তান সেই অধিকার শ্রী লঙ্কা ক্রিকেট-এর (এসএলসি, SLC) কাছে হস্তান্তর করেছে।

এসিসির আরও বক্তব্য

এসিসি বলেছে, “সমস্ত দিক সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করে এসিসি বোর্ড টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত করেছে। দায়িত্বশীল ভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারটিই এসিসি-র অগ্রাধিকার এবং বোর্ড আশা করে ২০২১-এ এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা যাবে।”

“এশিয়া কাপের জন্য ২০২১-এর জুনে যাতে সুবিধামতো সময় পাওয়া যায়, সেটা নির্ধারণ করার কাজই করছে এসিসি”, বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

নতুন ব্যবস্থায় পরবর্তী এশিয়া কাপ ২০২১-এর সম্ভবত জুন মাসে আয়োজন করবে এসএলসি। ২০২২-এর টুর্নামেন্ট হোস্ট করবে পিসিবি।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন