অস্ট্রেলিয়া ৪৪২-৮ডিঃ (মার্শ ১২৬ অপরাজিত, ওভার্টন ৩-১০৫) এবং ১৩৮ (খোয়াজা ২০, অ্যান্ডারসন ৫-৪৩)

ইংল্যান্ড ২২৭ (ওভার্টন ৪১, লিয়ন ৪-৬০) এবং ২৩৩ (রুট ৬৭, স্টার্ক ৫-৮৮)

অ্যাডেলেড: চতুর্থ দিনের শেষে ছোট্টো হলেও জয়ের একটা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। জেমস অ্যান্ডারসনের দাপটে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৩৮ রানে শেষ করার পর জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩৫৪। ইংল্যান্ড যখন চতুর্থ দিন শেষ করছে, তখন জয়ের জন্য বাকি ১৭৮, হাতে রয়েছে ছ’উইকেট। ইংল্যান্ডের স্বপ্নের সারথি ছিলেন অপরাজিত ব্যাটসম্যান অধিনায়ক জো রুট। পঞ্চম দিন তাই অঘটনের আশা দেখছিলেন অনেকে। কিন্তু হল না। স্বপ্নভঙ্গ হল ইংল্যান্ডের। ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারের ওপরে বুলডজার চালিয়ে দিলেন মিচেল স্টার্ক। ২-০-এ এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।

পঞ্চম দিন ইংল্যান্ডের ছ’টার মধ্যে তিনটেই তোলেন এই মুহূর্তে তুখোড় ফর্মে থাকা স্টার্ক। তাঁকে যোগ্য সংগত দেন হেজেলউড এবং স্পিনার ন্যাথান লিয়ন। বোলারদের দাপটে পঞ্চম দিনে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি ইংল্যান্ড।

এই টেস্টেও যে অস্ট্রেলিয়াই জিতবে, প্রথম ইনিংসের পরেই সেই ধারণা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার করা ৪৪২-এর বিরুদ্ধে মাত্র ২২৭ শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। তবুও ম্যাচটি জমে যায় দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার পারফর্ম্যান্সের পরে। ২১৫ রানে এগিয়ে থেকেও যে ইংল্যান্ডকে ফলো-অন করালেন না তিনি, এই জন্য সংবাদমাধ্যমে যথেষ্ট সমালোচিত হতে হয় অধিনায়ক স্মিথকে। স্মিথের উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসের পারফর্ম্যান্স। অ্যান্ডারসন এবং ওক্সের আগুনে পেসের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি স্মিথরা।

তবুও কোনো অঘটন যে ঘটেনি, তার জন্য স্মিথের ধন্যবাদ দেওয়া উচিত তাঁর বোলারদের। স্টার্ক, হেজেলউডরা বুঝিয়ে দিলেন, যে কোনো পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম এই অস্ট্রেলিয়া দল। গত কয়েক বছরের দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে তাই অ্যাসেজ পুনরুদ্ধার করার জন্য বদ্ধপরিকর স্মিথ বাহিনী। আর একটা টেস্ট জিতলেও, তাঁদের হাতে চলে আসবে ট্রফি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here