behendrof

ভারত ১১৮ [কেদার ২৭ (২৭), পাণ্ড্য ২৫ (২৩), বেহেনড্রফ ৪-২১]

অস্ট্রেলিয়া ১২২-২ [এনরিকেস ৬২ (৪৬), হেড ৪৬ (৩৮) ,  ভুবনেশ্বর ১-৯]

গুয়াহাটি: কী বলা যায় একে? ‘গুয়াহাটিতে গণ্ডগোল’?

অঘটন ঘটিয়ে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। ভারতকে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে হারিয়ে দিয়ে একটা ম্যাড়ম্যাড়ে সিরিজ হঠাৎ করে জমিয়ে দিল তারা। টি-২০ সিরিজের ট্রফি ঘরে তুলতে মাত্র এক ম্যাচ দূরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রিয় দলের হার দেখেই ফিরতে হল সাত বছর পর ক্রিকেটের আসর বসা গুয়াহাটির ক্রিকেটভক্তদের।

শুধু ব্যাটসম্যানরাই নন, সহায়ক পিচ পেলে টি-২০ ম্যাচে বোলাররাও যে ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন সেটাই দেখল মঙ্গলবারের গুয়াহাটি। সেখানে নায়ক হয়ে আসরে নামলেন জেসন বেহেনড্রফ। রাঁচিতে আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটিয়েছিলেন এই বাঁ-হাতি পেসার, তবে বোলিং করার প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু মঙ্গলবার নিজের জাত চেনালেন তিনি।

একার হাতেই ভারতের টপ অর্ডারকে ভেঙে ফেললেন বেহেনড্রফ। রোহিত, ধাওয়ান, কোহলি এবং পাণ্ডেকে হারিয়ে ভারত তখন প্রবল চাপে। সাত বছর পর নিজেদের শহরে ক্রিকেটের আসর বসেছে। গুয়াহাটিবাসী ভেবেছিলেন কোহলি, রোহিতদের ব্যাটিং বিক্রম দেখবেন। কিন্তু সেটা যখন হয়নি, ভাবা হয়েছিল একটা যদি ধোনি ধামাকা দেখা যেতে পারে। সেই আশাতেও কিছু পরেই জল ঢেলে দেন অজি স্পিনার জাম্পা।

ধোনি এবং কেদার যাদব জুটি ধীরে ধীরে ভারতকে বিপদ থেকে বাইরে বের করে আনছিলেন, কিন্তু ধোনি ফিরতেই ফের ধস। এক সময়ে ভারতের স্কোর হয় সাত উইকেটে ৭০। এই অবস্থায় হার্দিক পাণ্ড্য এবং কুলদীপ যাদবের মধ্যে জুটিটা না তৈরি হলে ভারতের একশোও হত কি না সন্দেহ। কিন্তু দু’জনের জুটি ভারতকে ভদ্রস্থ একটা স্কোরে পৌঁছে দেয়।

স্বল্প রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও চাপে পড়ে গিয়েছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এবং জসপ্রীত বুমরাহর দাপটে দ্রুত ওয়ার্নার এবং ফিঞ্চকে হারায় অজিরা। তবে ট্র্যাভিস হেড এবং মোজেস এনরিকেসের মধ্যে তৈরি হওয়া জুটিতে চাপ কাটায় তারা।

ধীরে ধীরে জমে যায় হেড-এনরিকেস জুটি। অতিরিক্ত আগ্রাসন দেখাননি দু’জনে। আগের ম্যাচের হিরো কুলদীপ বা চহ্বল, কেউই এই ম্যাচে ছাপ ফেলতে পারেননি। ২৭ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া, টি-২০-তে দু’দলের র‍্যাঙ্কই আহামরি কিছু নয়। যথাক্রমে পঞ্চম এবং সপ্তম স্থানে রয়েছে দু’দল। এই আবহে সিরিজের কী ফলাফল হয় তা দেখার জন্য সবার নজর থাকবে শুক্রবার হায়দরাবাদের মাঠে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here